আইপিএলে আরো ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত

আগামী ৯ এপ্রিল থেকে মাঠে গড়াবে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আইপিএল। কিন্তু মূল টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই করোনা হানা দিয়েছে আইপিএলের দলগুলোর শিবিরে। যার শুরুটা হয়েছে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে। ওই মাঠেই ১০ এপ্রিল হওয়ার কথা চেন্নাই সুপার কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালসের ম্যাচ।

ওয়াংখেড়ের মাঠ কর্মীদের পর এবার সম্প্রচারকারী সংস্থার ১৪ জন প্রতিনিধি করোনা পজিটিভ হয়েছেন। জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকার পরও কীভাবে তাঁরা আক্রান্ত হলেন সে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মাধ্যমে। আপাতত মুম্বাইয়ের এক হোটেলে আইসোলেশনে আছেন আক্রান্তরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিসিসিআইয়ের এক কর্তা বলেন, ‘মাঠকর্মীসহ অন্যান্যরা যখন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, খুব স্বাভাবিক ভাবেই সম্প্রচারকারী সংস্থার কর্মীরাও আক্রান্ত হবেন। সেই কারণে তাঁদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে সম্প্রচারকারী সংস্থার।’

গত শনিবার থেকে একে একে আসছে করোনার খবর। প্রথমে ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে কর্মরত ১০ জন মাঠকর্মীর করোনা পজিটিভ এসেছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নিযুক্ত ছয়জন ইভেন্ট ম্যানেজারের শরীরেও করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্সের নিতিশ রানার কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে। আক্রান্ত হয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অক্ষর প্যাটেলও। কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসার পর মুম্বাইয়ে গত রোববার টিম হোটেলে যোগ দেন অক্ষর। এর পরের পরীক্ষায় দিল্লির এই অলরাউন্ডারের পজিটিভ ফল এসেছে। আপাতত দুজনেই আইসোলেশনে আছেন।

এ ছাড়া চেন্নাই সুপার কিংসের একজন সদস্যেরও পজিটিভ ফল এসেছে বলে জানিয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান নির্বাহী কাসি বিশ্বনাথান।

তবে মুম্বাইয়ে বেশি করোনার খবর পাওয়ায় ভারতীয় বোর্ড দুটি কেন্দ্রকে তৈরি থাকতে বলেছে বিকল্প হিসেবে। সেগুলো হলো, হায়দরাবাদ ও ইন্দোর। এর মধ্যে হায়দরাবাদের আইপিএল দল থাকলেও ইন্দোরে কোনো দল নেই। যদিও ভারতীয় বোর্ড এখনও আশাবাদী মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন করার ব্যাপারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, ‘হ্যাঁ, হায়দরাবাদকে আমরা একটা বিকল্প কেন্দ্র হিসেবে ভেবে রেখেছি। তবে এই মুহূর্তে মুম্বাই থেকে ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছি না। আর দিন ছয়েকের (৯ এপ্রিল) মধ্যেই আইপিএল শুরু হয়ে যাচ্ছে। এই অল্প সময়ে নতুন করে জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করা কিন্তু রীতিমতো কঠিন কাজ। বাস্তব দিকটা হল, মুম্বাই থেকে ম্যাচ সরানো বেশ কঠিন হবে।’