আড়িয়াল খাঁ বিলে ধান কাটলেন জয়-লেখক

বোরো মৌসুমে শ্রমিক সংকটে পড়া কৃষকের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়ার পর ধান কাটতে মাঠে নামলেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। ছাত্রলীগের শীর্ষ এই দুই নেতা নেতাকর্মীদের নিয়ে কৃষকের ধান কেটে ঘরেও তুলে দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল খাঁ বিলে শফিকুল ইসলাম নামে এক কৃষকের ধান কেটেছেন তারা। জমিতে ধান পাকলেও শ্রমিক না পাওয়ায় ধান কাটতে পারছিলেন না কৃষক শফিকুল। ফোন নম্বর সংগ্রহ করে ছাত্রলীগ নেতাদের ফোন করলে জয় ও লেখক নিজে গিয়ে ওই কৃষকের ধান কেটে দেন।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, কৃষকের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশনা দেওয়ার পরও সারা দেশের নেতাকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেরাই ধান কাটার কাজে নেমেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ছাত্রলীগের সারা দেশের নেতাকর্মীকে কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা মোতাবেক ৪০টির বেশি জেলা ইউনিট ও ১০০টির বেশি উপজেলা ইউনিট কৃষকের ধান কাটায় কাজ করছে।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানাই, বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল খাঁ বিলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে কৃষক শফিকুলের জমিতে গিয়ে লেখক-জয় নিজে ধান কেটেছেন। সেই ধান কাঁধে নিয়ে কৃষকের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন।

লেখক ভট্টাচার্য কালের কণ্ঠকে বলেন, কৃষকরা এ দেশের প্রাণ। শ্রম ঘাম দিয়ে ধান ফলিয়েছেন কিন্তু করোনার কারণে শ্রমিক সংকটে অনেকে ধান কাটতে পারছেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সঙ্কটে পড়া কৃষকের পাশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলার নেতাকর্মীরা নিজ নিজ উদ্যোগে কৃষকের ধান কাটতে কাজ করছে। ধান কেটে কৃষকের বাসায় তুলে দিয়ে আসছে।’

তিনি বলেন, কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে আমরা ঘরে বসে থাকতে পারিনি। মুন্সীগঞ্জের কৃষক শফিকুল ইসলামের ফোন পেয়ে ধান কাটতে মাঠে গিয়েছি। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে। সংকটে পড়া কৃষকের পাশে ছাত্রলীগের সবাইকে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিট যেন নিজ নিজ এলাকার কৃষকের পাশে দাঁড়ান।