‘এবারের বিশ্বকাপের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি’


এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অংশ নেবে ১০টি দল। বিশ্বকাপের এই আসরে সবচেয়ে অভিজ্ঞ দলগুলোর মধ্যে একটি বাংলাদেশ। এবার টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আসরে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ খ্যাত মাশরাফি বিন মুর্তজা। আসরের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দেরও একজন তিনি। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে নেতৃত্বে আসার পর ধীরে ধীরে বিশ্ব ক্রিকেটের সমীহ-জাগানিয়া এক দলে পরিণত করেছেন বাংলাদেশকে। গত চার বছরে বিভিন্ন আসরে তাঁর সাহসী অধিনায়কত্ব প্রশংসিত হয়েছে ক্রিকেটবিশ্বে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন পাকিস্তানের গতিসম্রাট শোয়েব আখতার। মাশরাফিকে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এবারের বিশ্বকাপের সেরা অধিনায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক এই তারকা পেসার।

পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল পিটিভি স্পোর্টসের সঙ্গে সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফিকে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে কুশলী অধিনায়ক হিসেবে আখ্যা দেন শোয়েব। মাশরাফির নেতৃত্বে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ দল। এরপর ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দলকে সেমিফাইনাল অবধি নিয়ে যান ম্যাশ। সর্বশেষ গত বছর তাঁর অনবদ্য নেতৃত্বে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলে বাংলাদেশ। বড় আসরে নেতৃত্বের গুণাবলি, সাহস আর অন্য সবকিছু মিলিয়ে বিরাট কোহলি বা এউইন মরগ্যানদের চেয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ককে একধাপ ওপরে রেখে শোয়েব বলেন, ‘আমার মতে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি। তবে তাঁর দলকে বেশি উচ্চাভিলাষী হলে চলবে না। তাহলেই তারা বিশ্বকাপে ভালো করবে।’

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফও ভূয়সী প্রশংসায় ভাসান মাশরাফিকে। তাঁর মতে, একের পর এক ইনজুরির সত্ত্বেও লড়াকু মানসিকতায় দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ডানহাতি পেসারের নেতৃত্বে ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ, উল্লেখ করেন সাবেক উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান লতিফ। তিনি বলেন, ‘পায়ে বড় ধরনের ইনজুরি থাকা সত্ত্বেও মাশরাফি দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে চলছেন। তিনি তাঁর দুর্দান্ত নেতৃত্বে পুরো দলকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছেন। বাংলাদেশে তাঁর অনেক সুনাম রয়েছে।’

সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ আরো যোগ করেন, ‘২০১৫ সাল থেকে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ। তারা ঘরের মাঠে ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের মতো দলকে ওয়ানডে সিরিজে পরাজিত করেছে। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দিয়েছিল তারা। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা অনেক সুন্দর স্ট্রাইক রোটেট করে খেলতে পারে, যেটি তাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট।’