চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ

গোপনে রাতের অন্ধকারে ছিল বিয়ের আয়োজন। প্রস্তুত সবকিছু। রান্নাবান্না শেষ। কনের বাড়ি সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে। বরপক্ষও এসেছে। শুধু কাজির জন্য অপেক্ষা। এমন সময় কাজি নয়, বিয়ে বাড়িতে হাজির পুলিশ। ভেস্তে গেলো বাল্যবিয়ের সব আয়োজন। এভাবেই একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে সদর উপজেলার হিজলগাড়ি ক্যাম্প পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টায় বাল্য বিয়ের এ আয়োজন থামিয়ে দেওয়া হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ মোহাম্মদ ফখরুল আলম খান জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের আরজুল্লাহ মিয়ার মেয়ে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হয় দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাদশা মল্লিকের ছেলে পারভেজ মল্লিকের (১৯) সাথে।

জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সমস্ত প্রস্তুতি শেষে বিয়ের উদ্দেশ্যে বরপক্ষ হাজির হয় কনের বাড়িতে। খবর দেওয়া হয় কাজীকে। কিন্ত বিধিবাম। পুলিশ হাজির হয় বিয়ে বাড়ি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ মোহাম্মদ ফকরুল আলম খানের নির্দেশে কাজী আসার আগেই বিয়ে বাড়িতে হাজির হয় হিজলগাড়ী ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই প্রভাস চন্দ্র সাহাসহ পুলিশের সঙ্গীয় ফোর্স। এসময় তারা বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে দুই পক্ষকেই বোঝান। পরে দুপক্ষই বাল্য বিয়ে দেবেন না বলে অঙ্গীকার করে রক্ষা পান।