টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে চান না মাশরাফি


টি টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেছে। এ নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলতে চান না মাশরাফি বিন মর্তুজা। আর ফিরতেও চান না এই ফরম্যাটের ক্রিকেটে। সময়ের দাবি, তাই একই প্রসঙ্গে বারবারই প্রশ্নটা উঠতে থাকে।

শেষটায় তিনি বললেন, নতুনদের জায়গা করে দিতেই টি টোয়েন্টি ছেড়েছেন। তবে এখনো ওয়ানডে ক্রিকেট খেলাটা চালিয়ে যেতে চান। আপাতত ইচ্ছা ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ খেলা। এটি তার স্বপ্ন। নিউইয়র্কে প্রবাসী বিশিষ্টজনদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় এমনভাবেই নিজের কথাগুলো তুলে ধরলেন মাশরাফি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের বেলোজিনো পার্টি হলে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। শো টাইম মিউজিকের আয়োজনে এই সভায় উপস্থিত হন অনেক বাংলাদেশি।

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ককে কাছ থেকে দেখতে, তার সাথে কথা বলতে এবং সবশেষে ছবি তুলে ক্ষণটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যাপক আগ্রহ ছিল সবার।

শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে মাশরাফি বলেন, অ্যামেরিকায় এবারই তার প্রথম আশা। নিউইয়র্কে এসে ভালো লাগছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের আতিথেয়তা তাকে মুগ্ধ করেছে। তাছাড়া এবার সঙ্গে পরিবার থাকায় আরো ভালো লাগছে।

সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাশরাফি বলেন, পৃথিবীর নানা প্রান্তে থাকা বাংলাদেশের ভালোবাসার জন্যেই তারা খেলেন। ফ্লোরিডায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশির খেলা দেখতে যাওয়ায় তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, এত কষ্ট করে আপনারা নিজেদের শত ব্যস্ততার পরও, যেভাবে খেলা দেখতে গেছেন, তা সত্যিই দারুন’।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ট্যুরটা ভালো গেছে উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, আরো ভালো হতে পারতো। বিশেষ করে টেস্টটা। এরপরও নতুন একটি দেশে গেলে মানিয়ে নিতেও সময় লেগে যায়।

এ সময় তিনি কথা বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে। নতুনদের এগিয়ে আসতে হবে। কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের দিকে নজর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। আর স্মরণ করিয়ে দেন দেশের প্রতি দায়িত্বের কথা। মাশরাফি বলেন, আপনারা সমর্থন দিয়ে যান, সুযোগ দেন, দেখবেন আমাদের চেয়েও ভালো খেলোয়াড় বের হয়ে আসবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘আমার জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জন মানুষের ভালোবাসা। অর্থ দিয়ে ভালোবাসা কেনা যায় না। আমি মানুষের ভালোবাসা টের পাই’। তাই মানুষের কল্যাণে কাজ করার কথা বলেন তিনি।