পাটুরিয়া দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়


দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ বাড়ছে ফেরিঘাট এলাকায়। পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন না থাকলেও সকাল থেকেই ঈদযাত্রীর চাপ বাড়ছে। ঈদযাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ওই নৌরুটে বাড়ানো হয়েছে ফেরির সংখ্যা। যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। মহাসড়কের মানিকগঞ্জ জেলার ৩৫ কিলোমিটার অংশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছে ৫ শতাধিক পুলিশ বলে জানান ফেরিঘাট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রতিদিন সাধারণত পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা হয়ে ছোট-বড় মিলে প্রায় আড়াই হাজার যানবাহন নৌরুট পার হয়। তবে ঈদের সময়ে নৌরুটে পাড়ের সংখ্যা হয় এর দুই বা তিনগুন। যে কারণে বাড়তি যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগেই থাকে।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলগামী যানবাহনের বাড়তি চাপ রয়েছে বলে জানান তিনি। সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় শতাধিক যাত্রীবাহী বাস নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে। যাত্রীবাহী বাসের চাপ বেশি থাকলে বন্ধ রাখা হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলে মোট ১৯টি ফেরি রয়েছে। এর মধ্যে বড় ফেরির সংখ্যা আটটি, মাঝারি তিনটি, ছোট সাতটি ও মাঝারি ধরনের একটি ফেরি রয়েছে বলেও জানান সালাউদ্দিন হোসেন।