বেলজিয়ামের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ফ্রান্স


ইতিহাস গড়া হলো না বেলজিয়ামের। সোনালি প্রজন্ম নিয়ে এসেও পারল না তারকায় ঠাসা ফ্রান্সকে হারাতে। তাই হ্যাজার্ড-লুকাকুরা উঠতে পারল না প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে। ১-০ গোলে হেরে শেষ চার থেকেই বিদায় নেয় তারা।

সেন্ট পিটার্সবার্গে আসরের প্রথম সেমিফাইনালের ৫১ মিনিটে স্যামুয়েল উমিতিতির করা গোলে জয়ের উল্লাস করে ফ্রান্স। গ্রিজমানের কর্নারে চমৎকার হেডে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।

এ নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে তারা। এর আগে ১৯৯৮ ও ২০০৬ সালে ফাইনালে উঠেছিল তারা। ১৯৯৮ সালে তারা চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল। আবার তাদের সামনে শিরোপা হাতছানি দিচ্ছে।

অবশ্য এদিন ম্যাচের ১৫ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো বেলজিয়াম, সতীর্থের বাড়ানো বল ধরে বক্সে ঢুকেই হ্যাজার্ডের শট, সাইডবার ঘেঁষে বাইরে চলে যায় বল। তা না হলে গোল হতেও পারতো।

তিন মিনিট পর ফ্রান্স পায় ম্যাচের প্রথম সুযোগ। বক্সের বাইরে থেকে ব্লাইস মাতুইদির আচমকা শট, কিন্তু বেলজিয়াম গোলের বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

২২ মিনিটে বেলজিয়ামের চমৎকার একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন ফ্রান্স গোলরক্ষক। বক্সের বাইরে থেকে বেঞ্জামিন পাভার্ডের চমৎকার শট ঝাপিয়ে পড়ে বিপদমুক্ত করেন হুগো লরিস।

অবশ্য ম্যাচে সমতা আনার দারুণ কিছু সুযোগ পেয়েছিল বেলজিয়াম। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় কাজে লাগাতে পারেনি তারা।

বেলজিয়াম হারলেও এই ম্যাচে দারুণ ফুটবল খেলেছে। শুধু তাই নয়, পুরো আাসরেই বেশ নজর কেড়েছে তারা।

তবে ম্যাচের শেষ দিকে ফ্রান্স ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল। তা কাজে লাগাতে না পারলেও, শেষ পর্যন্ত এক গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।