‘ব্রহ্মাস্ত্র’ মুক্তির পরেই রণবীর-আলিয়ার আংটিবদল?


বলিউডে বাজছে বিয়ের আগাম সানাই। ২০১৮ সাল ছিল বি-টাউনে বিয়ের বছর, মনে হচ্ছে ২০১৯ সালটিও একই উদযাপনে কাটবে। নতুন খবর হলো, চলতি বছরেই নাকি রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট আংটিবদল করতে চলেছেন।

একটি সংবাদমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রণবীরের মা নীতু কাপুর চাইছেন আগামী জুনে এই যুগলের বাগদান সম্পন্ন করতে। বি-টাউনে জোর গুঞ্জন, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ যুগল আরো অপেক্ষা করতে চাইছেন এবং কোনোকিছুই তাড়াহুড়ো করে করতে চাইছেন না।

একটি সূত্র ওই দৈনিককে বলেছে, ‘চলতি বছরে প্রত্যেকে যখন আরেকটি বলিউডি বিয়ে দেখার আগ্রহে উন্মুখ, তখন জানা গেল এই যুগল আরো অপেক্ষা করতে চাইছেন; অন্তত তাঁদের জুটি বাঁধা আসন্ন সিনেমা (ব্রহ্মাস্ত্র) মুক্তি পর্যন্ত।’

২০১৮ সালে রণবীর ও আলিয়া খবরের শিরোনাম হন, যখন তাঁদেরকে একসঙ্গে সোনম কাপুরের বিয়ে-পরবর্তী অভ্যর্থনায় দেখা যায়। রণবীর জানিয়েছিলেন, তাঁরা সম্পর্কে জড়িয়েছেন। কিছুদিন আগে আলিয়া জানান, সেই ১১ বছর বয়স থেকে রণবীরকে চেনেন তিনি।

রণবীরের বাবা ঋষি কাপুর ও আলিয়ার বাবা মহেশ ভাটও তাঁদের ছেলেমেয়ের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন।

নিউইয়র্কে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন করেন রণবীর-আলিয়া। ছবি : সংগৃহীত

রণবীরের পরিবারের সঙ্গে রয়েছে আলিয়ার দৃঢ় বন্ধন। দুই পরিবারই তাঁদের সম্পর্ককে মেনে নিয়েছে। অতি সম্প্রতি রণবীরের মা নীতু কাপুর তাঁর ‘হবু পুত্রবধূ’ আলিয়াকে ‘হৃৎস্পন্দন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামে নিউইয়র্কে কাটানো পারিবারিক ভ্রমণের ছবি দিয়ে নীতু ক্যাপশনে লেখেন, ‘এঁদের সবাই আমার হৃৎস্পন্দন।’ হৃদয়ের ইমোকনও যোগ করেন তিনি। কাপুর পরিবারের সঙ্গে এবারের ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন করেন ‘রাজি’ তারকা আলিয়া ভাট।

নীতুর শেয়ার করা ছবিতে অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাঁর নাতনি সামারা, ছিলেন রণবীর-আলিয়া, মেয়ে রিদ্ধিমা কাপুর সাহনি ও তাঁর স্বামী ভারত সাহনি।

যা হোক, রণবীর কাপুর ও তাঁর মা নীতু কাপুর বেশ ঘনিষ্ঠ। মা-ছেলের এই বন্ধন সম্পর্কে অবগত বি-টাউনের সবাই। চলতি বছরের জুনে ছেলেকে বিয়েতে রাজি করালে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। কাপুর পরিবারের সঙ্গে আলিয়ার ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে এ ভাবনা আসতেই পারে যে, ‘রাজি’ অভিনেত্রীকে তাঁদের পরিবার ইতিমধ্যেই স্বাগত জানিয়েছে।

নীতু কাপুর একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন, যেখানে দুই পরিবারের চারজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে—রণবীর ও তাঁর মা নীতু এবং আলিয়া ও তাঁর মা সোনি রাজদন।