ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহতদের মধ্যে ৬ জন সিলেটের


ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ৬০ জন অভিবাসীর অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছে তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট। আর নিহতের মধ্যে ছয়জনের বাড়ি সিলেটে।

তারা হলেন-সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদের ছোট ভাই আহসান হাবিব শামীম (১৯) ও তার শ্যালক কামরান আহমদ মারুফ (২৩), জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুরের মুয়িদপুর গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে আব্দুল আজিজ (২৫), একই গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে আহমদ (২৪) এবং সিরাজ মিয়ার ছেলে লিটন (২৪)। ওই গ্রামের নিহত অপরজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্য যাত্রীদের সঙ্গে তারাও নৌকায় করে লিবিয়া থেকে ইতালি যাচ্ছিলেন।

সামাদের স্ত্রী শাহরিয়ার শারমিন তার দেবর ও ভাই নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রায় দুই মাস আগে তার দেবর শামীম এবং ভাই মারুফ দেশ ছাড়েন। তারা ওই নৌকায় ছিলেন।

এ ছাড়া ফেঞ্চুগঞ্জের নিহত আজিজের ভাই মফিজুর রহমান ওই উপজেলার চারজন নিহত হবার বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় বেঁচে যাওয়া তার চাচা দিলাল শনিবার বেলা ৩টার দিকে ফোন করে চারজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।

এদিকে নিহত বাংলাদেশীদের অধিকাংশ সিলেটের বাসিন্দা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি তিউনিশিয়ার রেড ক্রিসেন্টে বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও এমন খবর প্রকাশ করছে। জীবিত উদ্ধার হওয়াদের মধ্যেও সিলেটের আহমেদ বিলাল নামের একজনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

বেঁচে যাওয়া লোকজন তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্টকে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে লিবিয়ার উপকূলীয় জুওয়ারা এলাকা থেকে ৭৫ জন অভিবাসী একটি বড় নৌকায় করে ইতালি যাচ্ছিলেন। প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি ডুবে যায়।