ভেবেছিলাম মুক্ত জীবনে ফিরব, কিন্তু সেটা আর হলো না: রাষ্ট্রপতি


রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিক লাউঞ্জে এসে খোঁজ নিলেন পার্লামেন্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের। প্রটোকল ভেঙে নিজেই একটি চেয়ার টেনে নিয়ে বসলেন সাংবাদিকদের সাথে। মেতে উঠলেন আড্ডায়। আবারো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, ভেবেছিলাম ২৩ ফেব্রুয়ারির পরে মুক্ত জীবনে ফিরে যাবো। কিন্তু সেটা তো আর হলো না। হাসতে হাসতে তিনি আরো বলেন, আমার সঙ্গী হলো এডিসি ও এসএফএফ। জানান, আগামী ২৩ এপ্রিলের পর পুনরায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নিতে পারেন।

এসময় তিনি প্রায় আধা ঘণ্টা বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে ভাব বিনিময় করেন। নিজের ব্যক্তি জীবনের নানা কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। জানান, এর মধ্যে আত্মজীবনী লেখে শুরু করেছেন। অনেক দূর এগিয়েছেন। বলেন, রাষ্ট্রীয় কাজের চাপে খুব বেশি সময় দিতে পারি না। তবে আত্মজীবনী লেখা শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, যতটুক সময় পাই লিখি। এ সময় সংসদের আসার আগে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভোকেশনে দেয়া তাঁর বক্তব্য নিয়েও গল্প করেন। তিনি বলেন, নীতি আদর্শের কথায় ওদের মনোযোগ কম। তাই আমি মেইন ডিশের সঙ্গে একটু চাটনি দেই আর কী? আজকে বললাম, ফাল্গুন ও ভালোবাসা নিয়ে, ভালোবাস তবে একজনকে।

এর আগে সাংবাদিক লাউঞ্জে আসার পর উপস্থিত সাংবাদিকরা তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান। এসময় জনৈক সাংবাদিক রাষ্ট্রপতির কাছে মিষ্টি খেতে চাইলে, বললেন, মিষ্টি নয়, ফুল পেট খাওয়াবো। তোমরা অল্পেই তুষ্ট। তিনি পার্লামেন্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকের মধ্যহ্নভোজের আমন্ত্রণ জানান। শিগগিরই এর তারিখ নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ সাতবারের সংসদ সদস্য, দু’বারের স্পিকার, ১ বারের ডেপুটি স্পিকার ও বিরোধী দলের উপনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ অন্তপ্রাণ এই মানুষটি তাই ছুটে আসেন বার বার। সময় ও সুযোগ পেলেই তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় কররেন। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।