মাঠে একশ শতাংশ দিতে আমি সব সময় মুখিয়ে থাকি: কোহলি


বিরুদ্ধ কন্ডিশন বা প্রতিপক্ষ— কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা করছেন না বিরাট কোহলি। আগামী ৬ ডিসেম্বরের অ্যাডিলেড টেস্ট সামনে রেখে তিনি জানালেন, চাপমুক্ত থাকাই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে আলাদা করে কোনও চাপ অনুভব করি না। বরং প্রত্যেক সফর, প্রত্যেক সিরিজ, প্রত্যেক ম্যাচ থেকেই আলাদা করে কিছু শেখার রয়েছে। কারও কাছে আমার নিজেকে প্রমাণ করার কিছু নেই। মাঠে একশ শতাংশ দিতে আমি সব সময় মুখিয়ে থাকি।’

ইতোমধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। টেস্ট সিরিজ শেষে তিনটি ওয়ানডেও খেলবে ভারত। টেস্ট সিরিজের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে আছে ভারতই। এ বছর পাঁচটি টেস্ট জয়ের সাথে বিরাট কোহলির দল হেরেছে ছয়টিতে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া জিতেছে মাত্র দুটিতে। আর বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর দলের বিপর্যস্ত অবস্থা তো আছেই।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে বিরাট কোহলি বলেন, ‘চার বছর আগে এখানে এসেছিলাম আমরা। গত চার বছর ধরে যে রকম অভিজ্ঞতা এবং শক্তি আমরা অর্জন করেছি, সেটাকে মাথায় রেখে আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে, বিদেশের মাঠে টেস্ট জেতার সমস্ত দক্ষতা আমাদের আছে। আশা করব, শুধু এক-দুটি টেস্ট নয়, এ বারে আমরা পুরো সিরিজই জিতব। আমার বিশ্বাস, স্কিল, অভিজ্ঞতা, মানসিকতা, ফর্ম কোনোটাতেই পিছিয়ে নেই আমাদের দল।’

ক্রিকেট বিশ্বে এখন ভারত ও অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হওয়া মানেই সেখানে বাড়তি উত্তেজনা থাকতে বাধ্য। বিরাট কোহলিও মনে করেন, এ সিরিজে তার দল যথেষ্ট আগ্রাসনের সাথেই খেলবে। তিনি বলেন, ‘গত সিরিজে যা ঘটেছে, তা হয়তো এবার দেখা যাবে না। কিন্তু ওদের শরীরী ভাষা এবং তীব্রতায় কোনো পার্থক্য থাকবে বলে মনে হয় না। অস্ট্রেলিয়া বরাবরই যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে এবং এবারও খেলবে। আগ্রাসী ক্রিকেটের বাইরে অন্য কোনোভাবে অস্ট্রেলীয়রা খেলতে পারে বলে আমার জানা নেই। ম্যাচে কোনো বিতর্কিত ঘটনা নাও ঘটতে পারে, কিন্তু আগ্রাসনের কোনো কমতি হবে না।’

বিরাট কোহলি মনে করেন, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়া একটু ব্যাকফুটে থাকলেও এতে করে তাদের আক্রমণাত্মক মানসিকতায় কোনো পরিবর্তন আসবে না। তিনি বলেন, ‘অজিরা মুখে যতই ভালো ভালো কথা বলুক; মাঠে তারা নিশ্চিতভাবেই আগ্রাসী আচরণ করবে। অস্ট্রেলীয়দের আক্রমণাত্মক শরীরী ভাষায় কোনো পরিবর্তন হবে না। তাদের তীব্রতাও কমবে না।’