মিয়ানমারের শীর্ষ ৬ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক আদালতে নেয়ার সুপারিশ


রোহিঙ্গাদের চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে ফেলতেই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক আইনি পরামর্শক সংস্থা ‘পাবলিক ইন্টারন্যাশনাল ল অ্যান্ড পলিসি গ্রুপের (পিআইএলপিজি) এক তদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে। এর আগে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের রিপোর্টেও অনুরূপ তথ্য প্রকাশিত হয়।

সেই সঙ্গে গণহত্যার জন্য সেনাপ্রধান মিং অং হ্লাইংসহ মিয়ানমার সেনাবাহিনী শীর্ষ ছয় কর্মকর্তাকে দায়ী করে তাদেরকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করতে সুপারিশ জানানো হয়।

গত সোমবার ওয়াশিংটনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পিআইএলপিজি রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানানো হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, মিয়ানমার রাখাইনের সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানেই ঘটেছে এ গণহত্যা। শুধু বিতাড়িত করাই উদ্দেশ্য ছিল না; রোহিঙ্গাদের চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে ফেলতেই চালানো হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান।

মিয়ান সেনাবাহিনীর নিষ্ঠুর অভিযানের মাধ্যমে সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ করেছে।

রিপোর্টে বলা হয়, নিরাপত্তা চৌকিতে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মির (আরসা) হামলাকে ব্যবহার করা হয়েছে অভিযানকে ন্যায়সঙ্গত করতে।