শাহজালালে ৭৩ লাখ টাকার সোনা জব্দ


হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৩ লাখ টাকার প্রায় দেড় কেজি সোনা জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা।

এর মধ্যে শুক্রবার রাতে থাইল্যান্ড থেকে আগত এক যাত্রীর রেক্টাম থেকে ১০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত স্বর্ণের ওজন এক কেজি। যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।

অন্যদিকে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে আগত ২ যাত্রীর কাছ থেকে ৪টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ৪৬৪ গ্রাম।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শুল্ক গোয়েন্দা জানায়, শাহজালালে রাত সাড়ে ১০টায় থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নং বিজি-০৮৯ যোগে আগত এক যাত্রীর রেক্টামে লুক্কায়িত ১০টি স্বর্ণবার আটক করা হয়। আটককৃত স্বর্ণের ওজন এক কেজি। গোপন সংবাদ থাকায় শুল্ক গোয়েন্দা দল গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান গ্রহণ করে। যাত্রী গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার পর শুল্ক গোয়েন্দা দল তাকে আটক করে। আটকের পর সুনিশ্চিত তথ্য থাকার পরেও জিজ্ঞাসাবাদে যাত্রী স্বর্ণ বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে যাত্রী তার রেক্টামে স্বর্ণ বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর বিশেষ কায়দায় তাকে ব্যায়াম করিয়ে, রুটি, কলা, জুস ও পানি খাইয়ে শুল্ক গোয়ন্দা দল তার রেক্টাম থেকে ১০টি স্বর্ণবার বের করে আনে। যাত্রীর নাম মনকির আহম্মেদ। আটককৃত স্বর্ণবার এর মোট মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। আটককৃত যাত্রীকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ পূর্বক নিয়মিত মামলায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে সকালে চট্টগ্রাম থেকে আগত দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪টি স্বর্ণবার আটক করে। আটককৃত স্বর্ণের ওজন ৪৬৪ গ্রাম। তারা চট্টগ্রাম থেকে বিএস ৩২২ বিমানযোগে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। চট্টগ্রাম থেকে আগত ছয়জন যাত্রীকে চেকিং রুমে নিয়ে শরীর তল্লাশী করে দুইজন যাত্রীর কাছ থেকে প্যান্টের কোমরের মাঝে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় স্বর্ণবারগুলো উদ্ধার করা হয় ও আটক করা হয়। দুই যাত্রী পৃথক লিখিত বিবৃতিতে জানান যে স্বর্ণবারগুলো তাদের নয়। কিছু অর্থের বিনিময়ে উক্ত স্বর্ণবারগুলো দুবাই থেকে আগত এক যাত্রী চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে তাদেরকে দিয়ে বহন করার কাজে নিয়োজিত করেছিলো। আটককৃত স্বর্ণবারের মোট মূল্য প্রায় ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। আটককৃত পণ্যের বিষয়ে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।