শেয়ারের দাম ৫০ শতাংশ হ্রাস-বৃদ্ধি হলেই তদন্ত

এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী শেয়ারের দর বাড়লে বা কমলে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় শেয়ারবাজারে কোনো শেয়ারের দাম ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে বা বেড়ে গেলে তার পেছনে কোন কারসাজি আছে কিনা তা জানতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিষয়ে তদন্তের তাগিদ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) বিএসইসির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক চিঠি উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় সর্বশেষ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম কমপক্ষে ৫০ শতাংশ বেড়েছে বা কমেছে, এর পেছনে কোনো কারসাজি রয়েছে কি না, তা তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে।

এ ছাড়া তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির বার্ষিক বা প্রান্তিক শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫০ শতাংশের বেশি তারতম্য ঘটেছে, তার পেছনের কারণও খতিয়ে দেখার কথা বলেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

গত এক মাসে যেসব কোম্পানির গড় লেনদেনের পরিমাণ আগের ছয় মাসের গড় লেনদেনের চেয়ে পাঁচ গুণের বেশি বেড়েছে, তারও কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।

আর মূল্য সংবেদনশীল তথ্য বা পিএসআই প্রকাশের আগের ১০ কার্যদিবসে যেসব কোম্পানির দাম ও লেনদেন ৩০ শতাংশের কম-বেশি হয়েছে, সেসব কোম্পানির বিষয়েও তদন্ত করতে বলা হয়েছে। ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে বিএসইসি।

দাম ও লেনদেন অস্বাভাবিক বাড়ার কারণে বিএসইসির এই নির্দেশনায় যেসব শেয়ার তদন্তের আওতায় আসতে পারে সেগুলো হলো-লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট বাংলাদেশ, রবি, বেক্সিমকো, এসএস স্টিল, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং। ওয়ালটন, অ্যাপোলো ইস্পাত, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, মাইডাস, প্রাইম ফাইনান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, লংকা বাংলা, আরডিফুড, জিবিবি পাওয়ার, অ্যাকটিভ ফাইন, সাইফ পাওয়ার, ডেল্টাস্পিন, ম্যাকসনস স্পিন, অলটেক্স।