সন্তানসম্ভবা বলেই বিয়ে? দিয়ার দীর্ঘ জবাব

বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিউটি কুইন দিয়া মির্জা ভারতের মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাসভবনের বাগিচায় প্রেমিক বৈভব রেখির সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছিলেন চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি। আর এপ্রিলের প্রথম দিনই জানান, মা হতে চলেছেন তিনি।

এমন সুখবর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেটমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন দিয়া মির্জা। তাঁর সামাজিক পাতায় ঢুঁ মারলেই দেখা মিলবে নানা কিসিমের প্রশ্ন। যদিও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের অভাব ছিল না। তবু কেউ বলেছেন, ‘বিয়ে করতে না করতেই বেবি বাম্প!’ কারও প্রশ্ন, ‘বিয়ে করার আসল কারণ তাহলে এটাই?’

এবার চুপ থাকলেন না চিত্রনায়িকা। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, বেশ দীর্ঘ বক্তব্যে জানিয়ে দিলেন বৈভব রেখিকে বিয়ে করার আসল কারণ।

এক অন্তর্জালবাসী দিয়ার উদ্দেশে লিখেছেন, ‘খুবই ভালো খবর, কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। নারী পুরোহিতের মন্ত্রে বিয়ে করে প্রচলিত রীতি ভেঙেছেন ঠিকই, কিন্তু বিয়ের আগে গর্ভবতী হওয়ার খবরটা দিলেন না কেন? তার মানে কি বিয়ের আগে গর্ভবতী হওয়াটা অন্যায়? কেন একজন নারী বিয়ের আগে সন্তানসম্ভবা হতে পারেন না?’

অন্তর্জালবাসীর সেই মন্তব্যের দীর্ঘ জবাব দিয়েছেন দিয়া। তিনি জানিয়েছেন, সন্তানসম্ভবা বলে বিয়ে করেননি তিনি। বৈভব রেখির সঙ্গে সারা জীবন কাটানোর পরিকল্পনা তাঁর আগে থেকেই। বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ে তাঁরা জানতে পারেন, দিয়া গর্ভবতী।

দিয়া মির্জার ভাষ্যে, ‘তখনই না জানানোর অন্য কারণ রয়েছে। চিকিৎসা পদ্ধতির জন্য চুপ থাকতে হয়েছিল। শিশুর সুরক্ষার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছি আমি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তে রয়েছি এখন। চিকিৎসা ছাড়া আর কোনও কারণেই এই খবরটি লুকোনোর কোনও উদ্দেশ্য আমার নেই।’ এরপর দিয়া তালিকা করে বুঝিয়ে দেন, কেন এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন।

দিয়ার বর্তমান স্বামী বৈভব রেখি পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁদের এক বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৪ সালে সাহিল সংঘ নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন দিয়া। তার আগে প্রায় ছয় বছর চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন দুজনে। সব মিলিয়ে দীর্ঘ ১১ বছরের সম্পর্কের যবনিকাপাত ঘটে তাঁদের। ২০১৯ সালের ১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিয়া জানিয়ে দেন, দীর্ঘ ১১ বছরের সম্পর্কের ইতির কথা। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয় উভয়ের সম্মতিতে।