স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় নারীরাই বেকার হচ্ছে বেশি


অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা বৃদ্ধিতে চাকরির বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নারীরা। তবে এতে উপকৃত হচ্ছে অনেক পুরুষ। তারা আগের চেয়ে বেশি বেতনে চাকরির সুযোগ পাচ্ছে।

রয়াল সোসাইটি ফর দ্য এনকারেজমেন্ট অব আর্টস, ম্যানুফ্যাকচারস অ্যান্ড কমার্স (আরএসএ) নামের প্রতিষ্ঠান পরিচালিত নতুন গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আরএসএ জানিয়েছে, অটোমেশন ও অস্টারিটি বা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত পাবলিক, ব্যাংকিং এবং রিটেইল খাতে বহু নারী চাকরি হারিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে ক্যাশিয়ার, ব্যক্তিগত সহকারী ও হেয়ারড্রেসারের মতো পদে নারীর ভূমিকা হ্রাসের কারণেও অনেক নারী চাকরি হারিয়েছে।

আরএসএ’র গবেষণা অনুযায়ী প্রোগ্রামার এবং সফটওয়্যার ডেভেলপারদের পাশাপাশি এইচআর ম্যানেজার এবং ডিরেক্টররা শীর্ষ ২০ দ্রুততম ক্রমবর্ধমান পেশার মধ্যে ছিল, যখন ক্যাশিয়ার এবং চেকআউট অপারেটররা ছিল দ্রুত সংকোচনের মধ্যে।

আরএসএ ফিউচার ওয়ার্ক সেন্টারের প্রধান বেনেডিক্ট ডেলট বলেন, গণপরিবহন, কণ্ঠ সহায়ক এবং গুদামে প্যাকিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যন্ত্রের আবির্ভাবের ফলে এসব ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ হারিয়ে গেছে।’ তবে তিনি বলেন, এটি ব্যাপকহারে বেকারত্বের দিকে নিয়ে যাবে না। গত ৪৫ বছরের মধ্যে বেকারত্ব সর্বনিম্ন পর্যায়ে এবং উচ্চমানের প্রযুক্তি খাতে অনেক ভালো চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘অবস্থাদৃষ্ট মনে হচ্ছে নতুন অর্থনীতিতে নারীদের পিছিয়ে রাখা হচ্ছে কেননা, ২০টি নতুন কোডার এবং প্রোগ্রামারদের মধ্যে কেবল একজনই নারী।

ডেলট বলেন, ‘ভালো খবর হলো প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় এসেছে। আমরা এখনো অটোমেশন যুগের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি এবং এরই মধ্য চাকরির অনেক ক্ষেত্র এতে আক্রান্ত।

তিনি বলেন, ‘নিয়োগকর্তা এবং শিক্ষার্থীদের নিশ্চিত করা সরকারের পক্ষে কঠিন হবে যে ২০২০-এর দশক ২০১০-এর দশকের চেয়ে আলাদা হবে এই অর্থে যে নারী-পুরুষ, বয়স এবং স্থান নির্বিশেষে নতুন প্রযুক্তির বাজারে চাকরি হবে।’