হাজার্ড, ‍লুকাকুদের নিয়ে গর্বিত মার্টিনেজ


ফ্রান্সকে হারাতে পারলে বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে উঠত বেলজিয়াম। সেই আশা পূরণ হয়নি লুকাকু, হাজার্ডদের।

তবে পুরো বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্য ছিল বেলজিয়াম। বিশ্বকাপের শুরু থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত সবথেকে বেশি গোল করেছিল কোচ রবের্তো মার্টিনেজের শিষ্যরা। ২০০২ সালে সেমিফাইনালের আগ পর্যন্ত ব্রাজিল মোট ১৫ গোল করেছিল। তিন আসর পর ব্রাজিলের কাছাকাছি গিয়েছিল বেলজিয়াম। সেমিফাইনাল পর্যন্ত তারা করেছিল ১৪ গোল।

কিন্তু ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে একটি গোলও করতে পারল না লুকাকুরা। একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন হ্যাজার্ড, লুকাকু, ডি ব্রুইনরা। নিজেদের ভুলের পাশাপাশি গোল রক্ষক হুগো লরিস বাঁধা হয়ে ছিলেন। উমতিতির একমাত্র গোলে কপাল পুড়ে বেলজিয়ামের। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের পর আবারও তাদের সুযোগ এসেছিল ফাইনালে উঠার। কিন্তু এবারও ফাইনাল খেলার সৌভাগ্য হলো না।

ফাইনালে উঠতে না পারলেও ছেলেদের পারফরম্যান্স নিয়ে ক্ষোভ নেই রবের্তো মার্টিনেজের। হাজার্ড, লুকাকুদের পারফরম্যান্সে গর্বিত কোচ। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন,‘ম্যাচটা কঠিন ছিল। দূর্ভাগ্যবশত আমরা একটা ডেড বল পরিস্থিতি এবং সেট প্লে’তে হেরে গেছি। ম্যাচে সত্যিই প্রতিদ্বন্দ্বীতা ছিল। ম্যাচটার ভাগ্য নির্ধারণ করে গিয়েছে ফাইনাল টাচ। আমরা সেই কাজটা করতে পারিনি। আমরা বক্সে সেই সুযোগটি হারিয়েছি। মাঠে খেলোয়াড়ের শারীরিক ভাষা ছিল দুর্দান্ত। শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে খেলেছে। নিজেদের সবসময় এগিয়ে নিয়েছে।’

‘আমি হতাশ হওয়ার কোনো কারণ পাচ্ছি না। আমরা ফাইনাল খেলতে চাচ্ছিলাম। খেলোয়াড়রা নিজেদের ফোকাস ধরে রেখেছিল। আমরা পরবর্তী ম্যাচের (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী) দিকে তাকিয়ে আছি। আমরা টুর্নামেন্টে ভালো অবস্থানে থেকে শেষ করতে চাচ্ছি।’ – যোগ করেন বেলজিয়ামের কোচ।