১০ বছরে অর্থমন্ত্রীর সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা


অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, গত দশ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে এক কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজর ৪৬১ টাকা। আর ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের জন্য তিনি ২ লাখ ২২ হাজার ৯২২ টাকার কর দিয়েছেন।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে অনলাইনে তার ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের আয় কর বিবরণী দাখিল করার পর তিনি এ কথা জানান। এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য কালিপদ হালদারসহ অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে যখন ক্ষমতায় আসি তখন আমার সম্পত্তি ছিল এক কোটি ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩৬ টাকা। তা বেড়ে ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭ টাকা। এছাড়া ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ২২ হাজার ৯২২ টাকার কর বিবরণী অনলাইনে দাখিল করলাম। এর মধ্যে বেতন থেকে নেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। আজ পে-অর্ডারের মাধ্যমে দিলাম ৬৮ হাজার ৪৭৮ টাকা। গত বছর আমার মোট আয় হয়েছে ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ৩৪১ টাকা।

মুহিত বলেন, আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন করদাতার সংখ্যা ছিল ৭ লাখ। এরপর ২০১৫ সালে তা দাঁড়ায় ১৫ লাখে। আর সেটা গত তিন বছরে দাঁড়িয়েছে ৩৮ লাখে। সে হিসেবে করদাতার সংখ্যা তিন বছরে বেড়েছে প্রায় তিন গুন। এটা আশা করছি খুব শিগগির এক কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৭-২০০৮ সালে মানুষ ট্যাক্স দিতে ভয় পেত। এখন আর সে অবস্থা নেই। করদাতাদের ভয় কেটে যাচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের তরুণরা কর পরিশোধের ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে আছে। এখন তারা উৎসবমুখর পরিবেশে কর পরিশোধ করছেন। এটা সম্ভব হয়েছে কর মেলার জন্য। এজন্য কর মেলা আমার কাছে ভাল লাগে। তরুণরা মনে করে দেশ আমাদের জন্য কাজ করছে। সে কাজে নিজেদের অংশগ্রহণকে নিশ্চিত করতে তরুণরা কর দেন।

তিনি বলেন, আমার একটা দুঃখ ছিল বাজেটের আকার নিয়ে। এখন সেটা অনেক বড় হয়েছে। প্রতি বছরই তা বাড়ছে। জনসেবা বা জনকল্যাণে ব্যয় হলে জন সম্পৃক্ততা বাড়ে।

নির্বাচনের আগে খেলাপি ঋণের রিসিডিউল নিয় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এটা হলে সরকারের আয় বাড়ে। এছাড়া এ বিষয়টি ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যকার ব্যাপার। এ ব্যাপারে আমি এখানো কোনো অভিযোগ পাইনি।