পুঁজিবাজারের মাধ্যমেও অর্থপাচারের আশঙ্কা


পুঁজিবাজারের মাধ্যমে অর্থ পাচার ও জঙ্গি অর্থায়ন রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগের সাথে কাজ করবে বিএসইসি।

পুঁজিবাজারের মাধ্যমেও হতে পারে বিদেশে অর্থপাচার। এমনকি সন্ত্রাসী অর্থায়ন ও অপ্রদর্শিত অর্থ এখানে বিনিয়োগেরও আশঙ্কা রয়েছে বিশ্লেষকদের। এসব ঘটনা প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগের সাথে যৌথভাবে কাজ করার কথা জানিয়েছে- পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিএসইসি।

দরপতনের বাজারে গেল মার্চেও উল্লেখযোগ্য হারে শেয়ার কিনেছে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। ডিএসই’র তথ্য বলছে, তাদের পোর্টফোলিওতে শেয়ার বিক্রির তুলনায় শেয়ার কেনার হার বেড়েছে ৫২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যার পরিমাণ প্রায় ১৫৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

পুঁজিবাজারে এমন বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে হতে পারে অর্থপাচার, এমন আশঙ্কা করছেন বিআইবিএমের অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জি।

এসব ঘটনা বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগের সাথে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার স্বপন কুমার বালা।

এখন থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অর্থ উৎস সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে হবে। সন্দেহজনক লেনদেন হলেই বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগকে জানাবে বিএসইসি বলেও জানান কমিশনার।

অপ্রদর্শিত অর্থের বিনিয়োগসহ সন্ত্রাসী অর্থায়নেরও আশঙ্কা রয়েছে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে। গেল মার্চে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৪৫৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছে। বিপরীতে বিক্রি করেছে ২৯৯ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার।