নাজুক অবস্থায় সিলেট-আখাউড়া রেললাইন


সিলেট-আখাউড়া রেল সেকশনটি নির্মাণ করা হয় ব্রিটিশ আমলে। এই সেকশনের মৌলভীবাজার অংশেও রয়েছে শতাধিক পুরনো রেলওয়ে ব্রিজ-কালভার্ট। পাশাপাশি রেললাইন ও অধিকাংশ কাঠের স্লিপারের অবস্থা নাজুক হওয়ায় ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এই অঞ্চলের রেল যোগাযোগ। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত রেললাইন আধুনিকায়নের দাবি এলাকাবাসীর।

অবশ্য, সরকারি বরাদ্দ পেলে রেললাইন সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আঞ্চলিক রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

নষ্ট হয়ে ক্ষয়ে পড়ছে কাঠের স্লিপার, আবার কোথাও কোথাও স্লিপারের অস্তিত্বই নেই, ব্রিজ-কালভার্টের অবস্থাও নাজুক। ব্রিটিশ আমলের পুরনো লাইনে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে সিলেট-আখাউড়া রেল সেকশন।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রেললাইনে কোন সংস্কার হচ্ছে না। পাশাপাশি মৌলভীবাজার অংশের প্রায় সবকটি রেলওয়ে ব্রিজ ও কালভার্টের অবস্থা নাজুক। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। তাই ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সিলেট-আখাউড়া রেল সেকশনের আধুনিকায়ন ও ব্রডগেজ লাইন চালুর দাবি তাদের।

কুলাউড়ার হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু বলেন, ‘মনু রেলওয়ে ব্রিজকে যাতে অত্যাধুনিকভাবে মেরামোত করা হয় আমরা সেই দাবি জানাচ্ছি।’

তবে, সিলেট অঞ্চলের রেলওয়ে ব্রিজ-কালভার্টের মেরামতসহ লাইন সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানায় আঞ্চলিক রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মুহিব উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্রিজগুলো সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আর ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট জেলায় ব্রডগেজ কমপ্লিট হয়ে যাবে এবং ডবল লাইন হয়ে যাবে।’

ভারতের আসাম-ত্রিপুরা ও সিলেট অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্রিটিশ আমলে নির্মাণ করা হয় সিলেট-আখাউড়া রেল সেকশন। একশ’ ৭৭ কিলোমিটার দূরত্বের এ রেললাইনের মৌলভীবাজার অংশে শতাধিক ব্রিজ-কালভার্ট রয়েছে।