দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত বিনোদ খান্না


ঘোষণা করা হয়েছে ভারতের ৬৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকা। আর এ তালিকায় মরণোত্তর দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রয়াত বলিউড তারকা বিনোদ খান্না। এনডিটিভির খবরে প্রকাশ, ভারতের নয়াদিল্লী থেকে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাঁকে এই সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হয়। চলতি বছরের ৩ মে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরষ্কার তুলে দেয়া হবে বিনোদ খান্নার পরিবারের হাতে।

গত বছর ২৭ এপ্রিল ৭০ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বলিউডের এই কিংবদন্তী অভিনেতা। গুঞ্জন রয়েছে ব্লাডারের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বিনোদ। তবে পরিবার থেকে জানানো হয়েছে পানিশূন্যতার কারণে মৃত্যুবরণ করেছিলেন বিনোদ। মৃত্যুকালে তিনি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং চার সন্তান-রাহুল, অক্ষয়, সাক্ষী এবং শ্রদ্ধাকে রেখে গিয়েছেন।

১৯৬৮ সালে ‘মান কি মিত’ ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন তিনি। সেখানে সুনীল দত্তের বিপরীতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন বিনোদ। এরপর খলচরিত্রেই অভিনয় করে যাচ্ছিলেন তিনি, এরপর সত্তরের দশকের ‘পুরাব আউর পাশ্চিম’ ও ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’-এর মতো ছবিগুলোতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে যাচ্ছিলেন বিনোদ। ১৯৭১ সালে ‘হাম তুম অউর ওহ’ ছবিতে মূল চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পান বিনোদ। এরপর গুলজার পরিচালিত ‘মেরে আপনে’ ছবিতেও মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি।

বলিউডের অনেক ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন বিনোদ, যেমন- ‘অমর আকবর আন্থনি’, ‘পারভারিস’, ‘হেরাফেরি’, ‘মুকাদ্দার কা সিকান্দার’ প্রভৃতি। এরপর পাঁচ বছরের জন্য আধাত্মিক গুরু ওশোর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন বিনোদ। ১৯৮৭ সালে ‘ইনসাফ’ ছবি দিয়ে আবারও রুপালি জগতে ফিরে আসেন এই তারকা। এ সময় তাঁর ‘চাঁদনি’ ছবিটিও ব্যবসা সফল হয়। নব্বই ও একবিংশ শতকের প্রথম দশকেও তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। সালমান খান অভিনীত ‘দাবাং’ ছবিতে তাঁর অভিনয় নতুন করে প্রশংসিত হয়। সর্বশেষ তাঁকে দেখা যায় ২০১৫ সালের ছবি ‘দিলওয়ালে’তে।