সন্তানকে যে আচরণগুলো অবশ্যই শেখাবেন


শিশু বড় হবার সঙ্গে সঙ্গে তাকে ভালো আচরণ শেখানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের মানসিক বিকাশের জন্যও এটা জরুরি। সন্তানের বাড়ন্ত বয়সে শেখানো উচিৎ এমন কিছু মৌলিক আচরণ নিয়েই এ প্রতিবেদন।

* আপনার সন্তান যখন কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করবে অথবা চাইবে তখন তাকে ‘প্লিজ বা দয়া করে’ এবং কিছু গ্রহণ করার সময় ‘থ্যাংক ইউ বা ধন্যবাদ’ বলতে শেখান। এটা আপনার সন্তানকে বিনয়ী করে তুলবে।

* আপনার সন্তান যখন ভিড়ের মধ্যে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইবে তখন তাকে ‘এক্সকিউজমি’ বলতে শেখান।

* দুজন ব্যক্তির কথোপকথন চলাকালীন তাদের মাঝখানে ব্যাঘাত ঘটানো উচিৎ নয়, যদি না খুব প্রয়োজন হয়। এই ধরণের আচরণ মানুষের মনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আপনার সন্তানকে এই ধরনের আচরণ করতে নিষেধ করুন।

* কারো চারিত্রিক বা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে মন্তব্য করাটা কেন উচিত নয় তো বোঝান, যদি তা প্রশংসামূলক না হয়।

* আপনার সন্তানকে সবসময় অনুমতি নিতে শেখানোটা গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে যখনই সে কোনোকিছু বুঝতে পারবে না বা কোনো কিছু করার আগে ভালোর জন্য আপনাকে জিজ্ঞেস করে নিবে।

* কিভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নোট লিখতে হয় তা শেখান। বিশেষ করে সে যখন কারো কাছ থেকে কোনো উপহার গ্রহণ করে তখন প্রদানকারীকে ধন্যবাদ দেয়ার আগে তা খুলে দেখা বা ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

* স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কেও আপনার সন্তানকে সচেতন করা উচিৎ। হাঁচি বা কাশির সময় মুখে রুমাল দিতে শেখান এবং অন্যের সামনে দাঁত ও নাক খোঁচানো থেকে বিরত থাকতে বলুন এবং সবসময় তাকে টিস্যু ব্যবহার করতে শেখান।

* কেউ যখন তাকে কেমন আছো প্রশ্ন করবে তখন বিনয়ের সঙ্গে জবাব দেওয়া শেখান এবং প্রশ্নটি তাকেও করতে বলুন।

* তাকে বলুন, অন্যের গোপনীয়তাকে সম্মান করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কারো রুমে প্রবেশের দরকার হলে দরজায় নক করা এবং অনুমতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলুন।

* আপনার সন্তানকে টেবিলে খাবার সময় ভদ্রতা সম্পর্কে সচেতন করুন। খাবারের প্লেট তার সামনে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে শেখান।

* অন্যের সুবিধার জন্য সবসময় দরজা খুলে তা ধরে রাখতে শেখান এবং কেউ যদি তার সুবিধার জন্য দরজা খুলে ধরে রাখে তবে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে বলুন।