খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরো ২ গ্রেফতারি পরোয়ানা


এবার মানহানির দুটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

একইসঙ্গে আগামী ৫ জুলাই এ সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখা হয়েছে। ওইদিন পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন। এদিকে মামলা দুটিতে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। কিন্তু জামিন প্রশ্নে আদালত কোন আদেশ দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, চার মাস আগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিলো। কিন্তু ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে এতদিন তা ফেলে রাখা হয়েছিল। এখন যখন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন তখনই এটি কার্যকরের আদেশ দেয়া হলো। ইহা অপ্রত্যাশিত।

বাংলাদেশের মানচিত্র, জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন ‘জননেত্রী পরিষদ’র সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। আর মিথ্যা তথ্য দিয়ে জন্মদিন পালনের অভিযোগে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম একই বছরের ৩০ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন। দুটি মামলাতেই আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। কিন্তু এদিনেও ওই পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার এ দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদনের ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।

শুনানিতে অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, খালেদা জিয়া প্রায় চার মাস ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন। পুলিশ চার মাসেও তার গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল করতে পারেনি, সেটা তাদের ব্যর্থতা। সব বিবেচনায় মাথায় রেখে তার জামিন মঞ্জুর করা হোক।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু বলেন, আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা হোক। এরপর জামিন আবেদনের শুনানি করা যাবে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে হাকিম খুরশীদ আলম ও হাকিম আহসান হাবীব পৃথক আদেশে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের আদেশ দেন।