হজের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সর্ম্পকে জানা যাবে মঙ্গলবার

চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনা, হজ ফ্লাইটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো।

বৈঠকের পর চলতি বছরের হজের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সর্ম্পকে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

সোমবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, এ সময়ে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এরই মধ্যে হজ ফ্লাইটের তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই থেকে এ বছরের হজ যাত্রীদের ফ্লাইট শুরু হবে। ওই দিন দুটি ফ্লাইটে ১ হাজারের মতো যাত্রী সৌদির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে এরই মধ্যে হজ ফ্লাইটের সিডিউল ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। যাত্রীদের আসন পুনঃবিন্যাস করে চূড়ান্ত সিডিউলও চূড়ান্ত করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এটি এখন ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে।

এ ছাড়া গত ১২ জুলাই থেকে হজ যাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নিয়ে সনদ নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে গত ৩০ জানুয়ারি জাতীয় হজ এবং ওমরা নীতি-২০১৭ এবং হজ প্যাকেজ -২০১৭ এর খসড়া অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ।

জানা গেছে, হজ প্যাকেজ-২০১৭-এর অধীনে চলতি বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজ পালন করতে পারবেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার বাংলাদেশি পবিত্র হজ পালন করবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথম প্যাকেজে হজ পালনে আগ্রহী প্রতিজনের খরচ পড়বে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৫০৮ টাকা এবং দ্বিতীয় প্যাকেজে খরচ পড়বে জন প্রতি ৩ লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পবিত্র হজ পালনে প্রতিজনের সর্বনিম্ন খরচ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩৭ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম তখন জানিয়েছিলেন, চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের জন্য প্রত্যেকের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট লাগবে। প্রতি হজ এজেন্সি বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ হাজি এবং সর্বনিম্ন ১৫০ হাজি পাঠাতে পারবে। একটি বিমান তিনটি হজ এজেন্সির হাজি এবং তিনজন মোয়াল্লেমকে পাঠাতে পারবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজিদের সৌদি আরবে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে কোরবানির টাকা পাঠাতে হবে।

চলতি বছর কাউকে সরাসরি কোরবানির পশু কেনার অনুমতি দেওয়া হবে না। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনার হাজিদের অবশ্যই মক্কা এবং মদিনায় বাড়ি ভাড়া করতে হবে। হাজিদের সৌদি সরকার নিয়োজিত ক্যাটারিং কোম্পানির মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহ করতে হবে। তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রান্না করে খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হাজিদের সৌদি আরবে ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে এবং তাদের ই-পেমেন্টের মাধ্যমে হোটেল এবং বাড়ি ভাড়া ও খাবারের মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

Facebook

Get the Facebook Likebox Slider Pro for WordPress