নালিতাবাড়ীতে নদীর স্রোতে ভেসে স্কুলছাত্র নিখোঁজ

নালিতাবাড়ীতে নদীর স্রোতে ভেসে স্কুলছাত্র নিখোঁজ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পাহাড়ি ঢলের স্রোতে ভেসে চেল্লাখালী নদীতে নিখোঁজ হয়েছে হুমায়ুন কবীর (১০) নামের এক স্কুলছাত্র। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বুরুঙ্গা সেতুসংলগ্ন স্থানে চেল্লাখালি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  

নিখোঁজ হুমায়ুন স্থানীয় বুরুঙ্গা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এবং বুরুঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালালেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামে। সেই ঢলের সঙ্গে লাকড়ি ভেসে আসছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে বুরুঙ্গা সেতুসংলগ্ন এলাকার দক্ষিণ পাশে হুমায়ুন ও তার সমবয়সী চাচাতো ভাই আতিক হাসান মিলে বাড়ির পাশের চেল্লাখালী নদীর পানিতে ভেসে আসা লাকড়ি সংগ্রহ করতে যায়। লাকড়ি ধরার সময় হঠাৎ নদীর তীব্র স্রোতে দুজনই ভাটির দিকে ভেসে যেতে থাকে।


একপর্যায়ে চাচাতো ভাই আতিক সাঁতার কেটে নদীর তীরে উঠতে পারলেও হুমায়ুন স্রোতের তোড়ে ভাটির দিকে ভেসে যায়।
হুমায়ুনের বাবা দুলাল মিয়া বলেন, আমার ছেলে নদীতে ভেসে যাওয়ার পরপরই গ্রামবাসীর সহযোগিতায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস আফিসে ফোন করি। খবর পেয়ে জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিসহ একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে।

জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে ফোনকল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল চেল্লাখালী নদীর বুরুঙ্গা সেতুপাড় এলাকায় ছুটে আসি।

এ সময় নদীর চরে আটকে পড়া দুজন নারীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। কিন্তু নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং নিখোঁজ হুমায়ুনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তার পরও আমাদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, চেল্লাখালী নদীতে ডুবে নিখোঁজ হুমায়ুনকে উদ্ধার করতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা যৌথভাবে কাজ করছে।

 

হবিগঞ্জে এবার ৬৬১ মণ্ডপে হবে দুর্গোৎসব পরবর্তী

হবিগঞ্জে এবার ৬৬১ মণ্ডপে হবে দুর্গোৎসব

কমেন্ট