ভাঙ্গায় আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের পৃথক সংঘর্ষ, আহত ২৩

ভাঙ্গায় আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের পৃথক সংঘর্ষ, আহত ২৩

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ও ঘারুয়া ইউনিয়নে দুই পক্ষের পৃথক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত সাতটি বাড়ি ও দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। 

গতকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) মানিকদহ ইউনিয়নে এবং আজ শনিবার সকালে ঘারুয়া ইউনিয়নে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে শুক্রবার সন্ধ্যায়।


স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। একপক্ষের নেতৃত্ব দেন মানিকদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম শহীদুল্লাহ্ বাচ্চু।  অপর পক্ষে নেতৃত্বে রয়েছেন মানিকদহ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিয়া। কয়েকদিন ধরে ওই এলাকার দুই পক্ষের উত্তেজনা বিরাজ করছে।


 
সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে মানিকদহ ইউনিয়নের রামদেবপুর, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর গ্রামের দুই পক্ষের শত শত লোক ঢাল, সড়কি, রামদা ও  ইট-পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত সাতটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও রামদেবপুর গ্রামের মোতালেব মাতুব্বরের মুদি ও সারের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। আহত একজনকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 
এদিকে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের হাজরাকান্দা গ্রামে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় অন্তত ১৩ জন আহত হয়। এর মধ্যে ১০ জনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত একজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাজরাকান্দা গ্রামে দুটি পক্ষ রয়েছে।


এক পক্ষে নেতৃত্ব দেন ঘারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জুলহাস মাতুব্বর এবং অপরপক্ষে নেতৃত্ব দেন জব্বার মিয়া (মাস্টার)। 
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, গত দুই দিনে ভাঙ্গায় দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই সংঘর্ষই হয়েছে আধিপত্যের বিরোধ নিয়ে। মানিকদহ ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ঘারুয়া ইউনিয়নেও জুলহাস মাতুব্বর ও  জব্বার মাস্টারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুটি ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। 

আখাউড়া দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ পরবর্তী

আখাউড়া দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ

কমেন্ট