লাকসামে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তদন্তে পুলিশ

লাকসামে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তদন্তে পুলিশ

কুমিল্লার লাকসামে রোকসানা আক্তার সুমাইয়া (১৮) নামে এক তরুণীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার (৪ জুলাই) স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছেন।


নিহত সুমাইয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোজপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম ও কহিনূর আক্তার দম্পতির মেয়ে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে লাকসাম থানা পুলিশ ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে এবং আজ শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের শেষে বিকেলে নিহতের স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

লাকসাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিয়াজ মরদেহ উদ্ধার এবং ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


এদিকে ওই তরুণীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন দানা বেঁধেছে। অনেকের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন এটি কি হত্যা, নাকি আত্মহত্যা? এই নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত ওই তরুণীর বাবা সাইফুল ইসলাম দুই বছর আগে প্রথম স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় প্রথম স্ত্রী কহিনূর আক্তার (সুমাইয়ার মা) অভিমানে উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের বাটিয়াভিটা গ্রামে বাবার বাড়ি চলে যান।


প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। তাদের মায়ের সঙ্গে সন্তানদের যোগাযোগ সাইফুল ইসলাম মেনে নিতেন না। যোগাযোগ করলে বকাঝকা দিতেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে আরো জানা গেছে, ঘটনার দিন মেয়ে সুমাইয়া নানার বাড়িতে যাওয়া এবং মায়ের সঙ্গে দেখা করায় সাইফুল ইসলাম তার মেয়ে সুমাইয়াকে মারধর এবং খুব বকাঝকা করেন। এই অভিমানে সুমাইয়া গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে তারা ধারণা করছেন।


এ ব্যাপারে লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলী জানান, নিহত ওই তরুণীর মা বাদি হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে অটোরিকশাচাপায় পথচারী নিহত পরবর্তী

লক্ষ্মীপুরে অটোরিকশাচাপায় পথচারী নিহত

কমেন্ট