প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, অস্ত্র ঠেকিয়ে ৭ ভরি স্বর্ণ ও টাকা লুট
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় এক প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে পুরো পরিবারকে জিম্মি করে মারধর চালিয়ে প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লুট করে নেয়।
আজ শনিবার ভোররাতে উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের এয়াকুবদন্ডী গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী প্রবাসী আলী আব্বাস জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা প্রথমেই মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে যায়। কয়েকজন তাকে পাহারায় রেখে অন্যরা ঘরের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি শুরু করে।
ভুক্তভোগী আরো বলেন, ‘ডাকাতরা সবাই অস্ত্রধারী ছিল। তারা আমার স্ত্রী ও সন্তানদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মারধর করে। স্ত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন খুলে নেয়। পরে আলমারি ভেঙে প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
ছেলের কক্ষেও ঢুকে তাকে অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং তার কাছ থেকেও স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনিয়ে নেয়।’
এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ডাকাতদল দ্রুত বাড়ি থেকে বের হয়ে একটি মাইক্রোবাসে ওঠে। স্থানীয়রা ধাওয়া দিলে ডাকাতরা আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজী বখতিয়ার উদ্দিন বকুল বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হককে অবহিত করি।
একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আশা করছি, খুব দ্রুত ডাকাতচক্রকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
কমেন্ট