ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘরবাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
রংপুরে আগস্টে ১৯২৬ মামলা, গ্রেপ্তার ৬৩৫
অপরাধ, মাদক ও ট্রাফিক আইন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রংপুর রেঞ্জ পুলিশ। চলতি বছরের আগস্ট মাসে রংপুর বিভাগের আট জেলায় বিভিন্ন অপরাধে ১ হাজার ৯২৬টি মামলা হয়েছে।
এর মধ্যে মাদকসংক্রান্ত ৪৯৭টি মামলায় ৬৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একই সময়ে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনায় ৪ হাজার ২৫টি মামলা করে ১ কোটি ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা জরিমানা আদায় করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ৭২০টি যানবাহন আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
আগস্ট মাসের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় বিভাগের আট জেলার অপরাধ পরিস্থিতি, মাদকবিরোধী অভিযান, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, জননিরাপত্তা এবং সার সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় রংপুর রেঞ্জের আগস্ট মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আট জেলায় মোট ১ হাজার ৯২৬টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে চুরির মামলা রয়েছে ১০৫টি।
মাদকবিরোধী অভিযানে আগস্টে ৪৯৭টি মামলা করা হয়।
এসব মামলায় ৬৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে ২২২ দশমিক ৫ কেজি গাঁজা, ১২১ বোতল ফেনসিডিল, ২১ হাজার ৫১৪ পিস ইয়াবা এবং ২৭ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
মাদক নির্মূলে মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, বিক্রেতা ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযান আরো জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক কারবারের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এদিকে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক আইন প্রয়োগেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে রংপুর রেঞ্জ পুলিশ।
আগস্টে আট জেলায় ট্রাফিক আইনে ৪ হাজার ২৫টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় ১ কোটি ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বিভিন্ন আইনভঙ্গের ঘটনায় ৭২০টি যানবাহন আটক করা হয়। আটক যানবাহনের মধ্যে ৪টি বাস, ১৯টি ট্রাক, ৪টি মাইক্রোবাস ও ৬৯৩টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
সভায় সার সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিভাগের কোথাও অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মূল্য কারসাজি কিংবা অবৈধভাবে সার কেনাবেচা করা হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, রংপুর বিভাগের কোথাও অবৈধভাবে সার মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মূল্য কারসাজি কিংবা অবৈধভাবে সার ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
রংপুর রেঞ্জ পুলিশ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
কমেন্ট