জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের গণপরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ
এজেন্ট মালিকসহ ৯ ব্যাংক কর্তকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
খুলনায় এজেন্ট ব্যাংকিয়ের মাধ্যমে অর্ধশত গ্রাহকের ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খুলনায় মুন মানহা এজেন্ট শাখার মালিক এস এম সোহেল মাহমুদসহ ৯ ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার সহকারী পরিচালক রকিবুল ইসলাম এ মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর খুলনার আড়ংঘাটা বাজারে ‘মুন মানহা’ নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, রকেট অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং অফিসের অনুমোদন পান। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী এস এম সোহেল মাহমুদ, টেলার মো. আব্দুল হান্নান ও আউটলেট পাবলিক রিলেশন অফিসার পলি খাতুন বিভিন্ন সময়ে ৫০ জন গ্রাহকের কাছ থকে ম্যানুয়াল জমা স্লিপ ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে এক কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৯০ টাকা গ্রহণ করে, যার মধ্যে ৯৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬৬ টাকা ফেরত প্রদান না করে আত্মসাৎ করেন।
২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তারা শাখাটি বন্ধ করে পালিয়ে যান।
দুদক জানায় এ ঘটনা সঙ্গে ব্যাংকটির খুলনা রকেট এন্ড এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার সাবেক এরিয়া ম্যানেজার মোঃ আশরাফুল ইসলাম, সাবেক রিজিওনাল হেড এ এইচ এম কামরুজ্জামান, প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান আহাম্মেদ আসলাম আল ফেরদৌস, ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন কমপ্লায়েন্স ডিভিশনের বিভাগীয় প্রধান মো: ফরহাদ মাহমুদ, ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন) মো: সাহাদাৎ হোসেন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন পরস্পর যোগসাজসে এ কাজ করেছেন। অভ্যন্তরীণ তদন্তে ঘটনার সত্যতা মিললেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এমনকি এজেন্ট শাখার প্রতারিত গরিব, স্বল্পশিক্ষিত, অসহায় ও প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকদের টাকা ফেরত পাওয়ার কিংবা ব্যাংকের দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত বা তাদের বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি, যা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সহকারী পরিচালক রকিবুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে ঢাকা অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
কমেন্ট