৩১ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ডিমলা পিআইওর অফিস সহকারী গ্রেফতার
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের (পিআইও) অধীন টিআর/কাবিখা প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের মামলায় ডিমলা অফিসের অফিস সহকারী মশিউর রহমানকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিভাগীয় শহর রংপুরের সিও বাজার এলাকায় একটি বাসায় আত্মগোপনে থাকা ওই কর্মচারীকে র্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২ এর একটি দল গ্রেফতার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
গ্রেফতারকৃত মশিউর রহমান দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।
জানা যায়, মশিউর রহমান বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হিসাবরক্ষক অফিস হতে চেক তুলে অফিসে জমা না করে স্বাক্ষর জাল করে দুই দফায় ডিমলা সোনালী ব্যাংক পিএলসি শাখা থেকে উত্তোলন করেন। প্রথমে তিনি গত ২৪ ডিসেম্বর ও পরে ২৮ ডিসেম্বর সর্বমোট ৩০ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করে গা-ঢাকা দেন।
পরবর্তীতে অফিসে না আসায় উল্লেখিত টাকার বিষয়ে অফিস প্রধান সন্ধান করে জানতে পারেন, অফিস সহকারী মশিউর রহমান সোনালী ব্যাংক ডিমলা শাখা হতে ওই টাকা উত্তোলন করে গা-ঢাকা দিয়েছেন। পরবর্তীতে ডিমলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুল হক বাদী হয়ে ডিমলা থানায় প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি ছায়া তদন্তে নামে নীলফামারী র্যাবের সিপিসি-২ এর একটি টিম।
র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে আসামি মশিউর রহমান আত্মগোপনে ছিলেন। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী এবং র্যাব-১৩, সদর কোম্পানি, রংপুর এর যৌথ অভিযানে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন সিও বাজার এলাকার মামুনুর রশিদের বাসায় অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর তাকে ডিমলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
কমেন্ট