মাকে গলাকেটে হত্যা, মেয়ে আটক

মাকে গলাকেটে হত্যা, মেয়ে আটক

ময়মনসিংহের ভালুকায় রাহিমা খাতুন (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রামের গাংগাটিয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতের স্বামীর নাম বিল্লাল হোসেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের মেয়ে সোমাইয়া আক্তারকে (১৭) পুলিশ আটক করেছে।

এলাকাবাসীর ধারণা মেয়ের প্রেমকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় মা খুন হয়েছেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে রাহিমা খাতুন ও তার মেয়ে সোমাইয়া খাতুন রাতের খাবার খাওয়া শেষে একই ঘরের দুই রুমে ঘুমাতে যান। এরপর কে বা কারা তার মাকে হত্যা করেছে তার মেয়ে কিছুই বলতে পারে না। সে শুধু জানায় ঘরের ভেতরে বিড়াল ঢুকলে যেমন শব্দ হয়ে সে তেমনি একটা শব্দ শুনেছেন। কতক্ষণ পরে পাশের রুমে গিয়ে দেখে তার মায়ের বিছানা রক্তে ভেসে গেছে। রাহিমার গলা কাটার পর তিনি বাঁচার জন্য ঘর থেকে বাইরে আসার চেষ্টা করলে বারান্দা এসে পড়ে যায় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। 

ঘটনার সময় রাহিমার স্বামী বিল্লাল হোসেন সিডস্টোর বাজারে ছিলেন। বিল্লাল হোসেন সিডস্টোর বাজারে লেপতোষকের ব্যবসা করেন।

প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য সিআইডি পুলিশের ক্রাইম সিন নিহতের লাশের আঘাতের চিহ্ন, ঘটনাস্থলের ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। 


স্থানীয় লোকজন জানায়, সোমাইয়ার সঙ্গে এক ছেলের প্রেম ছিল, সেই প্রেম তার পরিবার মেনে নেয়নি। এ নিয়ে তার মায়ের সঙ্গে সোমাইয়ার বিবাদ চলছিল। কয়েক দিন পূর্বে সোমাইয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সব কারণেই রাহিমা খুন হতে পারেন। সোমাইয়ার ডান হাতে রক্তাক্ত জখম রয়েছে। 

তারা আরও জানায়, সোমাইয়ার হাতে কাটার আঘাত, অসংলগ্ন কথা-বার্তার কারণে সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাকে আটক করে। 

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জানান, খুন হওয়ার সময় নিহতের মেয়ে পাশের রুমেই ছিল। তারপারও সে তেমন কিছুই জানে না বলে আমাদেরকে জানালে তার কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছে। সিআইডি পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। তদন্ত শেষে খুনের কারণ বলা যাবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপি-জামায়াতের দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৫০, থানা ঘেরাও পরবর্তী

বিএনপি-জামায়াতের দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৫০, থানা ঘেরাও

কমেন্ট