৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা, স্বামী পলাতক

৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা, স্বামী পলাতক

পারিবারিক কলহের জেরে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছেন তার স্বামী। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সীমান্তের লক্ষ্মীদাঁড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে।
নিহত তাসলিমা খাতুন (৩৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীদাঁড়ি গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী এবং দেবহাটা উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নূরুজ্জামান ঢালীর মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৬ বছর আগে সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে তাসলিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর সাদ্দাম প্রথমে চায়ের দোকান পরিচালনা করলেও পরে কাপড়ের ব্যবসায় ব্যর্থ হয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।


এর পর থেকে তিনি স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের দাবি, টাকা আনতে না পারায় তাসলিমার ওপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠকও হয়েছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য সম্প্রতি দুই লাখ টাকা দাবি করা হলে এক লাখ টাকা দেওয়া হয়, যা দালালের মাধ্যমে আত্মসাৎ হয়।


এরপর থেকে নির্যাতন আরো বেড়ে যায়।
শনিবার রাত ৯টার দিকে সন্তানদের নিয়ে তাসলিমাকে ঘুমাতে যেতে বলেন সাদ্দাম। পরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর সাদ্দাম পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, খবর পেয়ে বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তাসলিমাকে তার স্বামী হত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। সাদ্দামকে গ্রেপ্তারে চিরুনি তল্লাশি চলছে।

 

গ্রেপ্তার এড়াতে প্রেস ক্লাব গঠন, তবু রক্ষা পেলেন না শ্রমিক লীগ নেতা পরবর্তী

গ্রেপ্তার এড়াতে প্রেস ক্লাব গঠন, তবু রক্ষা পেলেন না শ্রমিক লীগ নেতা

কমেন্ট