ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মতো একসঙ্গে হেফাজত ইসলামকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী
ইউএসটিসির শিক্ষককে লাঞ্ছনা, সাবেক শিক্ষার্থীর ২ বছরের কারাদণ্ড
ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামের (ইউএসটিসি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাসুদ মাহমুদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থী মো. মাহমুদুল হাসানকে পৃথক দুটি ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে তাকে আরো এক মাস ১০ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আবুল মনসুর এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হাসান ইউএসটিসির ইংরেজি বিভাগের দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী থাকাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ৭৫ শতাংশ বাধ্যতামূলক উপস্থিতি পূরণ না করেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার দাবি করেন। এতে বিভাগের তৎকালীন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মাসুদ মাহমুদের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে মাহমুদুল হাসান ওই শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় ইউএসটিসির তৎকালীন রেজিস্ট্রার খুলশী থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মামলার বিচারকাজে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথিপত্র ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে রায় দিয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভাশীষ শর্মা বলেন, ‘মামলার বিচার চলাকালে আসামি আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেছিলেন। তবে রায় ঘোষণার দিন তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।’
শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষককে লাঞ্ছনা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় আদালতের এ রায়কে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে এ ধরনের ঘটনায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি।
কমেন্ট