পোল্ট্রি খাদ্যের চড়া দাম: ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও ব্যবসায়ীরা

পোল্ট্রি খাদ্যের চড়া দাম: ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও ব্যবসায়ীরা

পোল্ট্রি খাদ্যের চড়া দামের কারণে খামারিদের সাথে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য উপাদানের বাড়তি দাম এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ। তাই আমদানি পর্যায়ে কর রেয়াত সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী ভেদে বৈষম্যমুলক কর সুবিধার বিলোপ করার দাবিও তাদের। একজন পোল্ট্রি খামারিকে মোট খরচের ৭০ শতাংশই ব্যয় করতে হয় মুরগীর খাদ্য বাবদ। কিন্তু বেশ ক'মাস ধরেই বাড়ছে খাদ্যের দাম।৫০ কেজির এক বস্তা লেয়ার মুরগীর খাদ্যের দাম ১৮৫০ থেকে ১৯০০ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগীর খাদ্যের দাম ২ হাজার ২শ টাকা। পোল্ট্রির প্রক্রিয়াজাত খাদ্য দেশেই তৈরি হয়। তবে এই খাদ্যের বিভিন্ন উপাদান যেমন; সয়াবিন, ভুট্টা সহ প্রায় সবই আমদানি করতে হয়; জানান ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ'র জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ আহছানুজ্জামান। ফিড মিল মালিকরা বলছেন, পোল্ট্রি খাদ্যের প্রধান উপাদান সয়াবিনে অগ্রিম কর দিতে হয় ১০ শতাংশ। ভুট্টায় রয়েছে ৪%শতাংশ কর। সোডিয়াম বাই কার্বনেটে ৫%। তৈলজাতীয় অন্য উপাদনে কর দিতে ৩৮ %পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি করের ভার গিয়ে পড়ছে খামারিদের উপরই। পুষ্টি চাহিদা পুরণের স্বার্থেই পোল্ট্রি খাতের নানারকম কর হার বিবেচনায় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ।
বিগত অর্থবছরে ডাক বিভাগের রাজস্ব আয় ৩৭৪ কোটি টাকা পূর্ববর্তী

বিগত অর্থবছরে ডাক বিভাগের রাজস্ব আয় ৩৭৪ কোটি টাকা

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিলো বিশ্বব্যাংক পরবর্তী

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিলো বিশ্বব্যাংক

কমেন্ট