স্বর্ণ আমদানির জন্য নীতিমালা হচ্ছে

স্বর্ণ আমদানির জন্য নীতিমালা হচ্ছে

শুধু ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো এলসির মাধ্যমে দেশে স্বর্ণ আমদানি করতে পারবে- এমন বিধান রেখে স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে এ বিষয় সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বর্ণ আমদানির নীতি সহজ করা হচ্ছে বলে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় আমি উল্লেখ করেছিলাম। নানা জটিলতার কারণে এখনো নীতিমালাটি চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে কাজ হচ্ছে, আশা করছি আগামী বাজেটের আগেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। জুয়েলারি শিল্পকে ব্যবসাবান্ধব করতে স্বর্ণ আমদানির জন্য সময়োচিত ও বাস্তবসম্মত একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য এই সেক্টরের ব্যবসায়ী সমিতি বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এখন সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আবহমান বাংলার ইতিহাসে জুয়েলারি শিল্প প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী। বাংলাদেশে জুয়েলারি শিল্পের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ থাকলেও প্রয়োজনীয় নীতির অভাবে এ পর্যন্ত এই শিল্পের তেমন কোনো বিকাশ হয়নি।’ এ শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশের স্বার্থেই স্বর্ণ আমদানি নীতি প্রণয়ন করতে অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত দেশের স্বর্ণবাজারের জন্য কোনো নীতিমালা হয়নি। এই শিরোনামে ফাদার অব দ্যা ন্যাশন গোল্ড কয়েন প্রজেক্ট-এর প্রেসিডেন্ট এবং সিইও এমএস আলম এবং বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট অ্যান্ড মিউজিয়ামের সিইও মাশুরা হোসেন বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী এক নোটে বলেন, স্বর্ণ আমদানির বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলেছি। ইতোমধ্যে এ কাজের অগ্রগতি জানানো হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জুয়েলারি শিল্প ব্যবসাবান্ধব করার লক্ষ্যে স্বর্ণ আমদানির জন্য সময়োচিত ও বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি পরিস্থিতি পত্র দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে এলসির মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি নেওয়ার যে আবশ্যকতা রয়েছে সেটি তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিথিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি পত্রে বলা হয়েছে, শুধু ভ্যাট নিবন্ধিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানই উপরোক্ত প্রস্তাবের আওতায় স্বর্ণবার আমদানি করতে পারবে বলে বিধান করা যেতে পারে। এছাড়া মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন বাস্তবায়ন হলে স্বর্ণ আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর আরোপিত হবে বিধায় এর ওপর প্রয়োজনে স্পেসিফিক ডিউটি প্রত্যাহার করা যেতে পারে।
কালো টাকা সাদা করা যাবে : এনবিআর পূর্ববর্তী

কালো টাকা সাদা করা যাবে : এনবিআর

পুঁজিবাজারের মাধ্যমেও অর্থপাচারের আশঙ্কা পরবর্তী

পুঁজিবাজারের মাধ্যমেও অর্থপাচারের আশঙ্কা

কমেন্ট