আজ সীমিত আকারে পোশাক কারখানা চালু

আজ সীমিত আকারে পোশাক কারখানা চালু

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের সব পোশাক কারখানা ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে করোনাভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যেই রোববার (২৬ এপ্রিল) সীমিত আকারে চালু হয়েছে পোশাক কারখানা। সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনার মধ্যেও অনেক পোশাক কারখানার ক্রয়াদেশ বহাল রয়েছে। এসব অর্ডার যেন বাতিল না হয় তাই কারখানা খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে পোশাক কারখানার মালিকরা। বিষয়টি বিবেচনায় সরকারের অনুমতিতে সীমিত আকারে চালু থাকবে পোশাক কারখানা। তবে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)  পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,  ধাপে ধাপে সব কারখানা চালু হবে। প্রথম পর্যায়ে রোববার ও সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ এলাকার নিটিং, ডায়িং ও স্যাম্পলিংয়ের কারখানা চালু হবে। ২৮ থেকে ৩০ এপ্রিল আশুলিয়া, সাভার, ধামরাই ও মানিকগঞ্জের কারখানা, ৩০ এপ্রিল রূপগঞ্জ, নরসিংদী, কাঁচপুর এলাকা, ২ ও ৩ মে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকার কারখানা চালু করা হবে। কারখানা খোলার ক্ষেত্রে শুরুতে উৎপাদন ক্ষমতার ৩০ শতাংশ চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে তা বাড়ানো হবে। তবে এখন কোনো শ্রমিক ঢাকার বাইরে থেকে নিয়ে আসতে পারবে না কারখানার মালিকরা। এর আগে, গতকাল শনিবার বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ‘পোশাকশিল্পের ৮৬৫টি কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি আছে। এ পর্যন্ত তিন বিলিয়ন ডলারের ওপর অর্ডার বাতিল হয়েছে। আমাদের ওপর কারখানা খুলে দেওয়ার চাপ আছে। অনেকের অর্ডার আছে। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতে যদি অর্ডার চলে যায় তাহলে তা ফেরত আনা কঠিন হবে। তাই সীমিত আকারে কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।’
১০ দিনের মধ্যে আমদানি পণ্য খালাসের অনুরোধ এফবিসিসিআইয়ের পূর্ববর্তী

১০ দিনের মধ্যে আমদানি পণ্য খালাসের অনুরোধ এফবিসিসিআইয়ের

করোনা আক্রান্ত ব্যাংককর্মীরা পাবেন ৫-১০ লাখ টাকার বীমা সুবিধা পরবর্তী

করোনা আক্রান্ত ব্যাংককর্মীরা পাবেন ৫-১০ লাখ টাকার বীমা সুবিধা

কমেন্ট