বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বেড়েছে
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বেড়েছে। এ করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে এ সীমা তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। শুধু আগামী অর্থবছরে নয়; ২০২৭–২৮ অর্থবছরেও করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা অব্যাহত থাকবে।
অবশ্য গত বছর বাজেটেই করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন অন্তবর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার তা অব্যাহত রাখল। এতে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বস্তির আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরেরা।
অন্যবারের মতো এবারও কিছু বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমায় বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের পাশাপাশি নারী করদাতা এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সি করদাতার জন্য সোয়া ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আবগারি শুল্ক অব্যাহতির সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে
সর্বশেষ ২০২৩ সালের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করা হয়েছিল। এরপর আর করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি; কিন্তু গত তিন বছরে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। প্রতিবছর গড়ে ১০ শতাংশ হারে মূল্যস্ফীতি হয়েছে। এতে যেসব করদাতা করমুক্ত সীমার একটু ওপরে ছিলেন, তাঁদের কর দিতে হচ্ছে। আবার উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে তাঁদের জীবনযাত্রার খরচও বেড়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের হিসাবে, সর্বশেষ গত মে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
কমেন্ট