বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

index চতুর্থ অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১। বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কৃষিপণ্যটির নাম কী? উত্তর : বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য দেশের চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কৃষিপণ্যটির নাম হলো ডাল। ২। বাংলাদেশে কোন কোন ধরনের ডালের চাষ হয়? উত্তর : বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ভালের চাষ হয়। যেমন ছোলা, মসুর, মটর, মুগ, মাসকলাই, অড়হর ইত্যাদি। ৩। আলু চাষের জন্য কোন ধরনের মাটি বিশেষ উপযোগী? উত্তর : উর্বর দো-আঁশ ও বেলে মাটি আলু চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। ৪। আমাদের দেশে কোন ধরনের আলুর চাষ বেশি হয়? উত্তর : আমাদের দেশে গোল আলু ও মিষ্টি আলুর চাষ বেশি হয়। ৫। বাংলাদেশে কী কী তৈলবীজ রয়েছে? উত্তর : বাংলাদেশে সরিষা, বাদাম ও তিসি ইত্যাদি তৈলবীজ রয়েছে। ৬। গনি মিয়া তাঁর জমিতে বিভিন্ন সময় সরিষা, বাদাম ও তিসি চাষ করেন। এগুলো থেকে তিনি কী পাবেন? উত্তর : গনি মিয়া তাঁর জমিতে বিভিন্ন সময় সরিষা, বাদাম ও তিসি চাষ করেন। এগুলো থেকে তিনি তৈল পাবেন। ৭। সরিষা, বাদাম বা তিসির বীজ পেষণ করে আমরা কী পাই? উত্তর : সরিষা, বাদাম বা তিসির বীজ পেষণ করে আমরা তেল পাই। ৮। খাবারকে সুস্বাদু করতে আমরা খাবারে কী করি? উত্তর : খাবারকে সুস্বাদু করতে আমরা খাবারে বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করি। ৯। আমরা কী কী মসলা উৎপাদন করি? উত্তর : আমরা পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ ইত্যাদি মসলা উৎপাদন করি। ১০। আমাদের দেশে প্রতিবছর পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ ইত্যাদি উৎপাদন করা হয়। এগুলোকে কী বলা হয়? উত্তর : আমাদের দেশে প্রতিবছর পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ ইত্যাদি উৎপাদন করা হয়। এগুলোকে মসলা বলা হয়। ১১। অর্থকরী ফসল কাকে বলে? উত্তর : যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে। যেমন পাট, চা, তামাক ইত্যাদি। ১২। বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি? উত্তর : পাট হলো বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। ১৩। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাট উত্পন্ন হয় কোথায়? উত্তর : বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাট উত্পন্ন হয় ভারতে। ১৪। বিশ্বে দ্বিতীয় প্রধান পাট উৎপাদনকারী দেশ কোনটি? উত্তর : বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় প্রধান পাট উৎপাদনকারী দেশ। ১৫। বাংলাদেশের কোন কোন জেলায় বেশি পাট উৎপাদন হয়? উত্তর : বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর ও নওগাঁ জেলায় বেশি পাট উত্পন্ন হয়।
বাকৃবিতে হলের প্রভোস্ট ও হাউজ টিউটরদের পদত্যাগ! পূর্ববর্তী

বাকৃবিতে হলের প্রভোস্ট ও হাউজ টিউটরদের পদত্যাগ!

বাংলা প্রথম পত্র পরবর্তী

বাংলা প্রথম পত্র

কমেন্ট