বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

000526kalerkantho.com-03-06-17-43_ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১। ভারতীয় উপমহাদেশের নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত কে? উত্তর : ভারতীয় উপমহাদেশের নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত বেগম রোকেয়া। ২। নারী নির্যাতনের একটি কারণ লেখো। উত্তর : নারী নির্যাতনের একটি কারণ হলো যৌতুক। ৩। বেগম রোকেয়া কোথায়, কখন জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ৪। মানবতার উন্নয়নের জন্য তুমি কাদের ক্ষমতায়নের সুপারিশ করবে? উত্তর : মানবতার উন্নয়নের জন্য আমি নারীদের ক্ষমতায়নের সুপারিশ করব। ৫। বেগম রোকেয়া কোন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখেন? উত্তর : বেগম রোকেয়া নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখেন। ৬। ক্লারা জেটকিন কে? উত্তর : ক্লারা জেটকিন ছিলেন একজন জার্মান সমাজতাত্ত্বিক। ৭। ১৮৫৭ সালে নিউ ইয়র্কে নারী শ্রমিকরা কিসের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করেন? উত্তর : ১৮৫৭ সালে নিউ ইয়র্কের নারী শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি ও দৈনিক ৮ ঘণ্টা শ্রমের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করেন। ৮। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সরকারের কোন মন্ত্রণালয় কাজ করছে? উত্তর : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ৯। কোন প্রতিবেদনে বিভিন্ন ধরনের নারী নির্যাতন সম্পর্কে জানা যায়? উত্তর : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে। ১০। বিশ্বে নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় কী রয়েছে? উত্তর : বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদ ও নীতিমালা রয়েছে। রচনামূলক প্রশ্ন ১। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় কেন? পাঁচটি বাক্যে লেখো। উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে ডিসেম্বর মাসে হানাদার বাহিনী এ দেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা করে। ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে তারা আমাদের অনেক গুণী শিক্ষক, শিল্পী, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও কবি-সাহিত্যিককে ধরে নিয়ে হত্যা করে। তাঁদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। এ সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো— i. শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। ii. তাঁদের স্মরণ করা। iii. মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের অবদান স্মরণ করা। iv. তাঁদের পরিবারের প্রতি সহনশীলতা জ্ঞাপন করা। v. বর্তমানে সবার মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করা। ২। সিপাহি বিদ্রোহের তিনটি কারণ ও দুইটি ফলাফল লেখো। উত্তর : সিপাহি বিদ্রোহের তিনটি কারণ হলো— i. সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে ভারতীয়দের সংখ্যাধিক্য ছিল। সেখানে ৫০ হাজার ব্রিটিশ এবং তিন লাখ ভারতীয় সিপাহি ছিল। ii. কামান ও বন্দুকের কার্তুজ পিচ্ছিল করার জন্য গরু ও শূকরের চর্বি ব্যবহারের গুজব নিয়ে ধর্মীয় অশান্তি তৈরি করা হয়েছিল। iii. ভারতীয় বিভিন্ন এলাকায় সৈন্যদের মধ্যে সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। সিপাহি বিদ্রোহের দুইটি ফলাফল— i. কম্পানি শাসনের অবসান ঘটে। ii. ভারত ব্রিটিশ সরকারের অধীনে চলে যায়। ৩। পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের কারণ পাঁচটি বাক্যে লেখো? উত্তর : পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পাঁচটি কারণ হলো— i. নবাব পরিবারের কিছু সদস্যের ষড়যন্ত্রের জন্য ii. সৈন্যবাহিনীর প্রধান মীর জাফর নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। iii. নবাবের অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতার অভাব। iv. বণিকদের বিরোধিতা ও ষড়যন্ত্র। v. নবাবের শত্রুপক্ষের রণকৌশল ছিল খুব উন্নত। ৪। ঐতিহাসিক নিদর্শন পরিদর্শনের পাঁচটি কারণ লেখো। উত্তর : ঐতিহাসিক নিদর্শন পরিদর্শনের পাঁচটি কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো— i. অতীতের সংস্কৃতি ও সভ্যতা সম্পর্কে জানা। ii. ঐতিহাসিক স্থানগুলো সম্পর্কে আকর্ষণ বৃদ্ধি করা। iii. ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। iv. নিদর্শনগুলোর সঠিক ইতিহাস জানা। v. ঐতিহাসিক স্থানগুলোর ছবি সংগ্রহে রাখা যায়। ৫। পাহাড়পুরের আরেক নাম কী? এটি কোন জেলায় অবস্থিত? এর তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো। উত্তর : পাহাড়পুরের আরেক নাম সোমপুর বিহার। এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। পাহাড়পুরের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো— i. বৌদ্ধ বিহারের চারপাশে ১৭৭টি গোপন কুঠুরি আছে। ii. এখানে মন্দির, রান্নাঘর, খাবার ঘর ও পাকা নর্দমা আছে। iii. এখানে জীবজন্তুর মূর্তি ও টেরাকোটা পাওয়া গেছে। ৬। পাট কী? পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয় কেন? পাটের তিনটি ব্যবহার লেখো। উত্তর : পাট হলো আমাদের প্রধান অর্থকরী ফসল। পাট ও পাটজাতদ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়। পাটের তিনটি ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো— i. পাট দিয়ে রশি তৈরি হয়। ii. পাট দিয়ে চটের থলে বা বস্তা তৈরি হয়। iii. পাট দিয়ে কার্পেট তৈরি হয়। ৭। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কিভাবে সহায়তা করে? উত্তর : বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের যেভাবে সহায়তা করে তা হলো— i. পাট ও পাটজাতদ্রব্য রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। ii. চা রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। iii. হিমায়িত চিংড়ি ও মাছ রপ্তানি করে। iv. তামাক ও তামাকজাতদ্রব্য রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। v. ধান, গম, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি উন্নত কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে ফলন বাড়িয়ে নিজেদের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। ৮। শ্রমশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে আমরা কিভাবে উপকৃত হতে পারি? উত্তর : শ্রমশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে আমরা যেভাবে উপকৃত হতে পারি তা হলো— i. শ্রমশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। ii. আমরা আমাদের পরিবারের অভাব ঘোচাতে পারি। iii. মানসম্মত জীবনযাপনের ব্যবস্থা করতে পারি। iv. বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারি। v. মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করতে পারি। ৯। শিশুশ্রমের কারণে শিশুরা কোন অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হয়? উত্তর : শিশুশ্রমের কারণে শিশুরা যেসব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তা নিচে দেওয়া হলো— i. শিশুশ্রমের কারণে শিশুরা মানবাধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হয়। ii. বিশেষ করে তারা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। iii. নির্যাতন ও অত্যাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। iv. তা ছাড়া তাদের শ্রমের ন্যায্য মজুরি থেকেও বঞ্চিত করা হয়। v. মাতা-পিতার আদর-স্নেহ থেকেও তারা বঞ্চিত হয়। ১০। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলগুলোয় নদীভাঙনের প্রবণতা রয়েছে, কেন? উত্তর : বাংলাদেশের উত্তর-দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাঝামাঝি অঞ্চলগুলোতে নদীভাঙনের প্রবণতা রয়েছে। উভয় অঞ্চলগুলোতে নদীভাঙনের প্রবণতা বেশি রয়েছে কারণ— i. বাংলাদেশে সাধারণত বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাতের দরুন নদীর পানি বেড়ে যায়। ii. প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর পানি দ্রুতগতিতে সমুদ্রের দিকে ধাবিত হয়। iii. এ সময় উপকূলীয় অঞ্চলের নদীসংলগ্ন স্থলভাগে পানির তীব্র তোড়ে সৃষ্টি হয় নদীভাঙন। iv. নদীভাঙনের জন্য দায়ী মানবসৃষ্ট কারণ হলো নদী থেকে বালি উত্তোলন। v. এ ছাড়া নদীতীরবর্তী অঞ্চলের গাছপালা কেটে ফেললেও নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়।
ঢাবির গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু পূর্ববর্তী

ঢাবির গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু

বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরবর্তী

বাংলা দ্বিতীয় পত্র

কমেন্ট