বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
টেলিমেডিসিন
টেলিযোগাযোগ সুবিধা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াই হলো টেলিমেডিসিন। এ পদ্ধতিতে চিকিৎসক বা মেডিক্যাল টিম দূর থেকে মোবাইল ফোন কিংবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোগীর তথ্য-অবস্থা জেনে করণীয় বলে দেন।
দেশের মোবাইল অপারেটরসহ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের সেবা চালু করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৮টি হাসপাতালে উন্নত মানের টেলিমেডিসিন সেবা চালু আছে। এ ছাড়া বেশ কিছু ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্রে টেলিমেডিসিন সেবা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগে বসে চিকিৎসকরা স্কাইপের (ভিডিও কনফারেন্স সেবা) মাধ্যমে বিনা মূল্যে কর্মদিবসগুলোতে এ সেবা দিচ্ছেন।
টেলিমেডিসিন সেবা বিভিন্ন রকমের হতে পারে। কোনো সাধারণ রোগ বা প্রতিষেধক সম্পর্কে তাত্ক্ষণিক ফোন করে জেনে নেওয়া যায়। আবার এমনও রোগ বা লক্ষণ আছে, যা না দেখে প্রতিষেধক বা করণীয় ঠিক করা যাবে না—এমনটি হলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এ সেবায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষরাই বেশি উপকৃত হচ্ছে।
কমেন্ট