বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বাংলা প্রথম পত্র
ষষ্ঠ শ্রেণি
নীলনদ ও পিরামিডের দেশ : সৈয়দ মুজতবা
আলী
সৃজনশীল প্রশ্ন
১। উদ্দীপকটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
আমরা কয়েকজন বন্ধু গ্রীষ্মের ছুটিতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উদ্দেশে রওনা হলাম।
উদ্দেশ্য, দুই চোখ ভরে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আবার সেখান থেকে কক্সবাজার গেলাম, সেখান থেকে সেন্ট মার্টিন, কী অপূর্ব দৃশ্য আর সৌন্দর্যের মাখামাখি। কোরাল পাথরের ছড়াছড়ি সেন্ট মার্টিনের এক বিশাল অহংকার। এ ছাড়া আছে নীল পানির এক রাজপুরি। সেখানে কচ্ছপেরা অবাধে ঘুরে বেড়ায়, ডিম পাড়ে; কাঁকড়ারা দল বেঁধে আল্পনা আঁকে। সেন্ট মার্টিনে না গেলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি অদেখাই থেকে যেত।
ক) ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’—কার লেখা?
উত্তর : ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’—সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা।
খ) উটের চোখগুলো রাতের বেলা সবুজ দেখাচ্ছিল কেন?
উত্তর : উটের চোখের ওপর মোটরের হেডলাইট পড়ায় চোখগুলো সবুজ দেখাচ্ছিল।
‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’ গল্পের লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী সুয়েজ বন্দর ছেড়ে মোটরগাড়িতে করে মরুভূমিতে ঢুকেছেন। শহরের বিজলি বাতি ক্রমেই নিষ্প্রভ হয়ে আসছিল। মাঝেমধ্যে হঠাৎ মোটরের দুই মাথা উঁচুতে উঠছিল। এরই মাঝে জ্বলজ্বলে দুটি সবুজ আলো চোখে পড়তেই লেখকের তা ‘ভূতের চোখ’ বলেই মনে হলো। ছোটবেলায় তিনি শুনেছেন ভূতের চোখ সবুজ রঙের হয়। তাই তিনি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। প্রকৃতপক্ষে মোটরের হেডলাইট উটের চোখের ওপর পড়ে চোখ দুটি তাদের চোখে সবুজ হয়ে ধরা দিয়েছিল।
গ) ভ্রমণকারীদের যাত্রাপথের সঙ্গে লেখকের মিসর ভ্রমণের কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়? বর্ণনা করো।
উত্তর : ভ্রমণকারীদের যাত্রাপথের সঙ্গে লেখকের মিসর ভ্রমণের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’ রচনায় মিসর ও নীলনদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পরিচয় রয়েছে। লেখকদের জাহাজ সুয়েজ বন্দরে পৌঁছানোর পর থেকেই তাঁরা এই সৌন্দর্য অবলোকন করেন। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার ঘন নীলাকাশ সূর্যের লাল আর নীল মিলে বেগুনি রং ধারণ করে। ভূমধ্য সাগর থেকে এক শ মাইল পেরিয়ে আসা মন্দ মধুর ঠাণ্ডা হাওয়ার পরশ তাঁরা অনুভব করেন। মিসরের মরুভূমির পেছনে সূর্য অস্ত গেলে সোনালি বালিতে সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে সেটি আাাকাশের বুকে হানা দেয় এবং ক্ষণে ক্ষণে সেখানকার রং বদলাতে থাকে। মরুভূমিতে শহরের বিজলি বাতি ক্রমেই নিষ্প্রভ হয়ে আসে। ফলে মরুভূমির ওপর চন্দ্রালোক এক অদ্ভুত দৃশ্য সৃষ্টি করে। যে দৃশ্য বাংলাদেশের সবুজ শ্যামলিমার মাঝখানে দেখা যায় না। সমস্ত ব্যাপারটা কেমন যেন ভুতুড়ে বলে মনে হয়। চলে যাচ্ছে দূর দিগন্তে, অথচ হঠাৎ যেন ঝাপসা আবছায়া পর্দায় ধাক্কা খেয়ে থেমে যায়। আর মিসরের নীল নদের দৃশ্য অতি রমণীয়। চাঁদের আলোতে নীলের ওপর দিয়ে চলমান মাঝারি ধরনের খোলা মহাজনি নৌকা—হাওয়ায় কাত হয়ে তেকোনা পাল পেটুক দেলের মতো পেট ফুলিয়ে চলে, যেন সামান্য একটুখানি জোর হাওয়া বইলেই নৌকাটি ডিগবাজি খেয়ে নীলের অতলে তলিয়ে যাবে। নীলের জল দিয়ে উৎপন্ন চাষের ফসল মিসরের সর্বত্র পৌঁছে যায়।
উদ্দীপকের সেন্ট মার্টিন দ্বীপও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। সেন্ট মার্টিনের কোরাল পাথর, নীল পানি, কচ্ছপের অবাধ বিচরণ, ডিম পাড়া কাঁকড়ার প্রাচুর্য—এ সবই সেন্ট মার্টিনকে মনোলোভা করেছে। উদ্দীপকের ভ্রমণকারীদের যাত্রাপথে দেখা এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে লেখকের মিসর ভ্রমণের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের উপর্যুক্ত মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
ঘ) ‘সেন্ট মার্টিন না গেলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি অদেখাই থেকে যেত’—এ বক্তব্য অনুসরণে নীলনদের সৌন্দর্যের সাদৃশ্য দেখাও।
উত্তর : সেন্ট মার্টিন না গেলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সেই লীলাভূমি যেমন অদেখাই থেকে যেত, মিসরে না গেলেও একই ব্যাপার ঘটত।
‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’ রচনায় মিসরের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শনগুলো তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে মিসর। প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে মিসরের নীলনদকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল ওই সভ্যতা। নীলনদের ওপর দিয়ে যেমন মাঝারি ধরনের মহাজনি নৌকা পাল তুলে চলে, তেমনি এর পানি দিয়ে মিসরে চাষ হয়। এই নীলনদ তার বুকে ধরে সে চাষের ফসল মিসরের সর্বত্র পৌঁছে দেয়। মিসরের মরুভূমির সূর্যাস্তের দৃশ্যও অপরূপ। সোনালি বালিতে সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে সেটা আকাশের বুকে হানা দেয় এবং ক্ষণে ক্ষণে সেখানকার রং বদলাতে থাকে। তার একটা রং ঠিক চেনা কোনো জিনিসের রং সেটা বুঝতে না বুঝতে রং বদলে গিয়ে অন্য জিনিসের রং ধরে ফেলে। এই সৌন্দর্য শুধু মিসরের মরুভূমিতেই লেখক প্রাণভরে উপভোগ করেছেন।
উদ্দীপকের বন্ধুরাও কক্সবাজার হয়ে সেন্ট মার্টিনে গিয়ে সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছড়াছড়িতে বিমুগ্ধ হয়ে যায়। কোরাল পাথর, নীল পানি, কচ্ছপ ও তার ডিম, কাঁকড়া সব মিলিয়ে যেন সৌন্দর্যের আল্পনা তৈরি করেছে, যা সেন্ট মার্টিন না গেলে অদেখাই থেকে যেত।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে তাই আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে উদ্দীপকের বক্তব্য ‘নীলনদ ও পিরামিডের দেশ’ ভ্রমণকাহিনির লেখকের দেখা মিসরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বক্তব্যকে সমর্থন করে।
২। উদ্দীপকটি পড়ে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
কামাল তার বন্ধুদের নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলো। পদ্মা ও যমুনার রুপালি স্রোত পাড়ি দিয়ে তারা একসময় ঢাকা পৌঁছায়। সেখানে তারা প্রথমেই যায় লালবাগের দুর্গে। এ যেন ফেলে আসা সাম্রাজ্যের এক টুকরো রাজত্ব। মোগল সম্রাটদের স্থাপত্য ঐশ্বর্য এখানে লুকিয়ে আছে। এখানকার দরবার হল, পরি বিবির মাজার ও শাহজাদা আজমের মসজিদ দেখে তারা ছবি তুলতে লাগল। তারা শেষ পর্যন্ত স্বীকার করল এখানে না এলে অতীত ইতিহাস ও সম্রাটদের হারিয়ে যেতে বসা বিশাল কীর্তি অজানাই থেকে যেত।
ক) ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’-এর লেখকের জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর : ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’—এর লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্মস্থান আসামের করিমগঞ্জে।
খ) ‘এই নীলের জল দিয়ে এ দেশের চাষ হয়’—কেন?
উত্তর : নীলনদের জলের বিকল্প নেই বলে উপর্যুক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ‘নীলনদ ও পিরামিডের দেশ’ ভ্রমণকাহিনির লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা জাহাজ থেকে সুয়েজ বন্দরে নেমে মোটরযোগে রাজধানী কায়রোর পথে রওনা হন। যাত্রাকালে তাঁরা চোখের সামনে নীলনদের এক রমণীয় দৃশ্য ভেসে ওঠে। চাঁদের আলোতে তাঁরা দেখতে পেলেন, নীলের ওপর দিয়ে চলেছে মাঝারি ধরনের মহাজনি নৌকা—হাওয়ায় কাত হয়ে নৌকার তেকোনা পাল পেটুক ছেলের মতো ফুলে ওঠে, যেন সামান্য হাওয়া বইলেই নৌকা ডিগবাজি খেয়ে নীলের জলে তলিয়ে যাবে। মিসর মরুভূমির দেশ বলে ওখানকার কৃষি এই নীলনদের জলের ওপর নির্ভরশীল। নীলনদই তার বুকে ধরে চাষের ফসল মিসরের সর্বত্র পৌঁছে দেয় বলে ‘এই নীলের জল দিয়ে এ দেশের চাষ হয়’—কথাটি বলা হয়েছে।
গ) উদ্দীপকের কামাল ও তার বন্ধুদের ভ্রমণ আর লেখকের ভ্রমণের উদ্দেশ্য একই—ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : উদ্দীপকের কামাল ও তার বন্ধুদের ভ্রমণ আর লেখকের ভ্রমণের উদ্দেশ্য একই—আর তা হলো অতীত ইতিহাস ও সম্রাটদের বিশাল কীর্তি অবলোকন করা।
‘নীলনদ ও পিরামিডের দেশ’ ভ্রমণকাহিনির লেখক ও তার বন্ধুরা মরুভূমি ঘেরা ঐতিহাসিক শহর কায়রোতে যান। কায়রোর অদূরে গিজেয় অবস্থিত মিসরের ভুবন বিখ্যাত পিরামিড দেশে তাঁরা স্তম্ভিত হয়ে যান। পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো কীর্তিস্তম্ভ দেখে যুগ যুগ ধরে মানুষ এদের সামনে দাঁড়িয়ে বিস্তর জল্পনা-কল্পনা করেছে, দেয়ালে খোদাই এদের লিপি উদ্ধার করে এদের সম্পর্কে পাকা খবর সংগ্রহের চেষ্টা করেছে। মিসরের ভেতরে-বাইরে আরো পিরামিড থাকলেও গিজে অঞ্চলের পিরামিড তিনটি পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম। প্রায় পাঁচ শ ফুট উঁচু বলে, না দেখে চট করে এর উচ্চতা সম্পর্কে একটা ধারণা করা যায় না। চ্যাপ্টা আকারের একটি বিরাট জিনিস আস্তে আস্তে ক্ষীণ হয়ে পাঁচ শ ফুট উঁচু না হয়ে যদি চোঙ্গার মতো একই সাইজ রেখে উঁচু হতো, তবে স্পষ্ট বোঝা যেত, পাঁচ শ ফুটের উচ্চতা কতখানি উঁচু। বোঝা যায়, দূরে চলে গেলে। সব কিছু ছাড়িয়ে, মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা পিরামিডগুলো হঠাৎ চোখে পড়ে। পিরামিডের পরই মিসরের মসজিদ ভুবন বিখ্যাত এবং সৌন্দর্যের অতুলনীয়।
উদ্দীপকের লালবাগ দুর্গের পরি বিবির মাজার, দরবার হল, শাহজাদা আজমের মসজিদের কারুকাজ কামাল ও তার বন্ধুদের মুগ্ধ করেছিল, তা ‘নীলনদ ও পিরামিডের দেশ’ ভ্রমণকাহিনির লেখকের দেখা পিরামিড ও মসজিদের উপর্যুক্ত বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উভয়পক্ষের ভ্রমণের উদ্দেশ্য অতীত ইতিহাস ও সম্রাটদের বিশাল কীর্তি অবলোকন।
ঘ) ‘লালবাগ দুর্গের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে পিরামিডের স্থাপত্যশৈলীর মিল খুঁজে পাওয়া যায়’—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর : ‘লালবাগ দুর্গের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে পিরামিডের স্থাপত্যশৈলীর মিল খুঁজে পাওয়া যায়’—বলেই তা পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।
‘নীলনদ ও পিরামিডের দেশ’ রচনার লেখক ও তাঁর সহযাত্রীরা মিসরের পিরামিডের নির্মাণকৌশল দেখে বিস্মিত হন। চোখের সামনে দেখেও এগুলোর নির্মাণকৌশলের কারণে সহজে বোঝা যায় না যে, আসলেই প্রায় পাঁচ শ ফুট উঁচু। রাজধানী কায়রো ছেড়ে বহুদূরে চলে যাওয়ার পর হঠাৎ যখন সব কিছু ছাড়িয়ে ওই তিনটি পিরামিড দেখা যায়, তখনই শুধু বোঝা যায়। ওই পিরামিড তৈরি করতে তেইশ লাখ টুকরা পাথরের প্রয়োজন হয়েছিল। টুকরাগুলোর সাইজ আবার এ রকম, চার-পাঁচ টুকরা একত্র করলে একখানা ছোটখাটো ইঞ্জিনের সাইজ এবং ওজন হয়। অথবা বলা যায়, ছয় ফুট উঁচু এবং তিন ফুট চওড়া করে ওই পাথর দিয়ে একটা দেয়াল বানালে সে দেয়াল লম্বায় ৬৫০ মাইল হবে। সবচেয়ে বড় পিরামিডটা বানাতে এক লাখ লোকের ২০ বছর সময় লেগেছিল। ফারাওরা (সম্রাটরা) বিশ্বাস করতেন, তাঁদের শরীর যদি মৃত্যুর পর পচে যায় কিংবা কোনো প্রকারের ক্ষত হয়, তবে তাঁরা পরোলোকে অনন্ত জীবন পাবেন না। তাই মৃত্যুর পর দেহকে ‘মমি’ বানিয়ে সেটাকে একটা শক্ত পিরামিডের ভেতর রাখা হতো, যাতে তার ভেতর ঢুকে কেউ মমিকে ছুঁতে পর্যন্ত না পারে। কায়রোর মসজিদ ভুবন বিখ্যাত এবং সৌন্দর্যে অতুলনীয়। মসজিদের যে নিপুণ মোলায়েম কারুকার্য আছে, সে রকম করার মতো আজকের দিনে কারো নেই।
উদ্দীপকের মোগল সম্রাটদের স্থাপত্য ঐশ্বর্যের মধ্যে লালবাগ দুর্গের দরবার হল, পরি বিবির মাজার ও শাহজাদা আজমের মসজিদের সৌন্দর্য কামাল ও তার বন্ধুদের আকৃষ্ট করে বলেই তারা ছবি তুলতে থাকে।
উপর্যুক্ত বক্তব্য থেকে তাই সহজেই এ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে লালবাগ দুর্গের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে পিরামিডের স্থাপত্যশৈলীর মিল খুঁজে পাওয়া যায় বলেই উভয় স্থানে পর্যটকরা যায় এবং এগুলোর সৌন্দর্য ও নির্মাণকৌশলে বিস্মিত হয়।
কমেন্ট