আইজ্যাক নিউটন

আইজ্যাক নিউটন

235220kalerkantho.com-30-06-17-22_ আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ। জ্যোতির্বিজ্ঞান, আলকেমি, প্রকৃতি দর্শনেও তাঁর অবদান আছে। তাঁর সর্বজনীন মহাকর্ষ ও গতির তিন সূত্র ‘ফিলসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা’ বইয়ের মাধ্যমে সর্বপ্রথম জানা যায়। বইটি ১৬৮৭ সালে প্রকাশিত হয়। নিউটনের জীবনে মজার মজার অনেক ঘটনা আছে। কলেজ ছুটির সময় এবং দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁর বাগানেই কাটত। একদিন গাছের নিচে বসে থাকা অবস্থায় একটি আপেল পড়ল। হুট করে মাথায় নানা প্রশ্ন জড়ো হতে লাগল—কেন আপেলটি আকাশে না উঠে মাটিতে পড়ল? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই বেরোলো মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব। রৈখিক ও কৌণিক ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রের মাধ্যমে বলবিদ্যার ভিত্তি তিনিই রচনা করেন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে যুক্তরাজ্যের গ্রান্থামের একটি স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন নিউটন। ১৬৬১ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৬৬৫ সালে নিউটন দ্বিপদী উপপাদ্যবিষয়ক সূত্র প্রমাণ ও ফ্লাকসিয়নের তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর কৃতিত্বের জন্য ১৬৬৭ সালে ট্রিনিটি কলেজের ফেলো নির্বাচিত করা হয়। এর দুই বছর পর সেখানেই গণিত বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৬৬৮ সালে নিউটন প্রতিফলন দূরবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেন। এটি ‘নিউটনীয় দূরবীক্ষণ যন্ত্র’ হিসেবে পরিচিত। আলোর প্রতিসরণও তাঁর আবিষ্কার। তাঁর অপটিকস গ্রন্থে আলোর কণা তত্ত্বের ওপর বিস্তারিত বর্ণনা আছে। এ ছাড়া তিনি কাচের গ্লোব ব্যবহার করে স্থির-বৈদ্যুতিক জেনারেটর তৈরি করেছিলেন। ১৬৯৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্য সরকারের ‘ওয়ার্ডেন অব দ্য মিন্ট’ এবং পরে ‘মাস্টার অব দ্য মিন্ট’ হিসেবে কাজ করেন। ১৭০৫ সালে তাঁকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়।
ভাণ্ডারিয়ার মজিদা বেগম মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নবীণবরণ পূর্ববর্তী

ভাণ্ডারিয়ার মজিদা বেগম মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নবীণবরণ

বাংলা পরবর্তী

বাংলা

কমেন্ট