বাংলা প্রথম পত্র

বাংলা প্রথম পত্র

নতুন দেশ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সৃজনশীল প্রশ্ন নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : ১। শীতের ছুটিতে মা-বাবার সঙ্গে সারা বেড়াতে যায় সেন্ট মার্টিনস দ্বীপে। সেখানকার সামুদ্রিক প্রবাল, সারি সারি নারিকেলগাছ, মাছ ধরার বড় বড় নৌকা ওর মনে কৌতূহল জাগায়। দিগন্ত বিস্তৃত নীলাভ জলরাশি, পরিষ্কার আকাশ ওকে নিয়ে যায় অন্য এক জগতে। ওর ইচ্ছা হয় সমুদ্রের নানা রঙের মাছের সঙ্গে খেলা করতে আবার কখনো বা আকাশে পাখি হয়ে উড়ে বেড়াতে। ক) ‘সহজ পাঠ’-এর কবি কে? উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। খ) শিশুটির মনে সাধ জাগে কেন? উত্তর : প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ঘরের কোন থেকে দেখা যায় না বলেই এসব দেখতে শিশুর মনে সাধ জাগে। ‘নতুন দেশ’ কবিতায় একটি শিশুর অজানাকে জানার ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। শিশুটি প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য দেখতে চায়। সে ভেসে চলা নৌকার মতো ভাসতে চায়। ভেসে ভেসে দেখতে চায় নতুন নগর, পরিবেশ, বন-বনাঞ্চল। তাই ঘর থেকে বের হয়ে শিশুটি প্রকৃতির অজানা সৌন্দর্য দেখতে চায়। গ) সারার সেন্ট মার্টিনসে দেখা দৃশ্যে ‘নতুন দেশ’ কবিতায় চিত্রিত কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। উত্তর : সারার সেন্ট মার্টিনসে দেখা দৃশ্যে ‘নতুন দেশ’ কবিতায় প্রাকৃতিক দৃশ্যের অপার সৌন্দর্যের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। ‘নতুন দেশ’ কবিতায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নানা দিক বর্ণিত হয়েছে। নদীতে পাল তোলা নৌকা, সাগরের ধারে সারি সারি নারিকেল বন, পাহাড় চূড়ায় নীল আকাশের ঝিলিক, ফুলে-ফলে রঙিন বনানীর সীমাহীন সৌন্দর্য। শিশু চায় এই সৌন্দর্য অবলোকন করতে। কৌতূহল জাগে এর রহস্য উন্মোচন করতে। উদ্দীপকের সারা সেন্ট মার্টিনসের নয়নাভিরাম দৃশ্যে অভিভূত হয়। সেখানকার সামুদ্রিক প্রবাল, সারি সারি নারিকেলগাছ, মাছ ধরার নৌকা তার মনে কৌতূহল সৃষ্টি করে। সমুদ্রের নীলাভ জলরাশি, উন্মুক্ত আকাশ তাকে নিয়ে যায় স্বপ্নের জগতে। কবিতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এসব নানা দিক বর্ণিত হয়েছে। তাই বলা যায়, সারার সেন্ট মার্টিনসের দৃশ্য ‘নতুন দেশ’ কবিতায় প্রাকৃতিক দৃশ্যের অপার সৌন্দর্যের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। ঘ) ‘উদ্দীপকটি যেন ‘নতুন দেশ’ কবিতার মূলভাবকে ধারণ করে আছে’—উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো। উত্তর : উদ্দীপকটি যেন ‘নতুন দেশ’ কবিতার মূলভাবকে ধারণ করে আছে—উক্তিটি যথার্থ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নতুন দেশ’ কবিতায় বর্ণিত হয়েছে শিশুর অজানাকে জানার অদম্য কৌতূহল। সে উন্মোচন করতে চায় প্রকৃতির সব রহস্য। ভাটার টানে ঘাটে বাঁধা নৌকা মাঝ নদী পেরিয়ে কোথায় গিয়ে যে পৌঁছবে তার কোনো ঠিক নেই। হয়তো নতুন দেশে বা নতুন পরিবেশে গিয়ে সে পৌঁছবে। হয়তো কোনো অসীম সৌন্দর্য বা অজানা আনন্দ বা অপার বিস্ময় তার জন্য অপেক্ষা করে আছে। শিশুর সব কৌতূহল সৃষ্টির মূলে রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। উদ্দীপকের সারা শীতের ছুটিতে সেন্ট মার্টিনস গিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে যায়। সেখানকার সামুদ্রিক প্রবাল, সারি সারি নারিকেলগাছ, পাল তোলা নৌকা মনে হাজারও প্রশ্নের সৃষ্টি করে। তার হারিয়ে যেতে ইচ্ছা করে দিগন্ত বিস্তৃত নীলাভ জলরাশিতে, পাখি হয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশে উড়ে বেড়াতে। কবিতায় অজানাকে জানার সীমাহীন কৌতূহল এবং প্রকৃতির সব রহস্য উন্মোচন করার অপার আকাঙ্ক্ষার কথা প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়, প্রকৃতির সান্নিধ্যে গিয়ে সারা কৌতূহলী হয়ে ওঠে। হারিয়ে যেতে চায় নৈসর্গের মাঝে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি যেন ‘নতুন দেশ’ কবিতার মূলভাব ধারণ করে আছে। জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কত সালে জন্মগ্রহণ করে? উত্তর : ২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দে। ২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। ৩। নৌকা বাঁধা আছে কোথায়? উত্তর : নৌকা বাঁধা আছে নদীর ঘাটে। ৪। নৌকায় ভেসে ভেসে মন কোথায় যেতে চায়? উত্তর : নৌকায় ভেসে ভেসে মন নতুন নগরে চলে যেতে চায়। ৫। বাবা কোন দেশে যায় না? উত্তর : বাবা নতুন দেশে যায় না। ৬। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথায় ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়েছিলেন? উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়েছিলেন বিলেতে। ৭। বাংলা সাহিত্যের সব শাখা কার অবদানে সমৃদ্ধ হয়েছে? উত্তর : বাংলা সাহিত্যের সব শাখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদানে সমৃদ্ধ হয়েছে। ৮। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে? উত্তর : বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৯। এশীয়দের মধ্যে বাংলা সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান কে? উত্তর : এশীয়দের মধ্যে বাংলা সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১০। বাবা কোথায় যায়? উত্তর : বাবা অফিসে যায়। ১১। নীল আকাশের মাঝে কী সাজে? উত্তর : নীল আকাশের মাঝে পাহাড়চূড়া সাজে। ১২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পান? উত্তর : সাহিত্যে
ঢাবি সিনেট অধিবেশন বর্জনের ঘোষণা সাদা দলের পূর্ববর্তী

ঢাবি সিনেট অধিবেশন বর্জনের ঘোষণা সাদা দলের

কারিগরিতে ২০৩০ সালে শিক্ষার্থী হবে ৩০ শতাংশ পরবর্তী

কারিগরিতে ২০৩০ সালে শিক্ষার্থী হবে ৩০ শতাংশ

কমেন্ট