বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিজ্ঞান
চতুর্থ অধ্যায়
উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি
চিত্রটি দেখে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক) পরাগায়ণ কী? ১
খ) সম্পূর্ণ ফুল বলতে কী বোঝো? ২
গ) চিত্রে O কিভাবে ডিম্বাণু তৈরি করে? ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ) পরাগায়ণের ক্ষেত্রে M ও N-এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করো। ৪
উত্তর :
ক) ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ণ বলে।
খ) যে ফুলে পাঁচটি স্তবক থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন—জবা, সরিষা, ধুতুরা ইত্যাদি।
গ) উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের O চিহ্নিত অংশ হলো ডিম্বক।
ডিম্বক থেকে ডিম্বাণু তৈরি হয়। পরাগায়ণের ফলে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয়। এখান থেকে নিঃসৃত রস শুষে নিয়ে এটি ফুলে ওঠে এবং এর আবরণ ভেদ করে একটি নালি বেরিয়ে আসে। এটি পরাগনালি। পরাগনালি গর্ভদণ্ড ভেদ করে গর্ভাশয়ে ডিম্বকের কাছে গিয়ে পৌঁছে।
এরই মধ্যে এই পরাগনালিতে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি হয়। ডিম্বকের ভেতর পৌঁছে এ নালিকা ফেটে যায় এবং পুংগ্যামেট দুটি মুক্ত হয়। ডিম্বকের ভেতর ভ্রূণথলি থাকে। এর মধ্যে স্ত্রীগ্যামেট বা ডিম্বাণু উত্পন্ন হয়।
ঘ) M চিহ্নিত অংশের নাম দলমণ্ডল। এটি বাইরের দিক থেকে দ্বিতীয় স্তবক। কতগুলো পাপড়ি মিলে দলমণ্ডল গঠন করে। এরা বিভিন্ন রঙের হয়। দলমণ্ডল রঙিন হওয়ায় পোকামাড়ক ও পশু-পাখি আকর্ষণ করে ও পরাগায়ণ নিশ্চিত করে।
N চিহ্নিত অংশের নাম পরাগধানী। পুংকেশরের শীর্ষের থলির মতো অংশকে পরাগধানী বলে। পরাগধানীর মধ্যে পরাগরেণু উত্পন্ন হয়। পরাগরেণু থেকে পুংজননকোষ উত্পন্ন হয়। এরা সরাসরি জননকাজে অংশগ্রহণ করে।
কমেন্ট