আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে , স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবারও এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
‘মহেশ ভাটের স্ত্রী, আলিয়ার মা হলেও আমি এখনো লড়াই করে যাচ্ছি’
মহেশ ভাটের স্ত্রী ও আলিয়া ভাটের মা—এই দুই পরিচয় থাকলেও অভিনয়জীবনে এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী সোনি রাজদান। তার কথায়, বিয়ের আগে যেমন অভিনয়ে সংগ্রাম করতে হয়েছে, বিয়ের পরও সেই বাস্তবতা বদলায়নি।
আলিয়ার মা হওয়ার পরও নিজের পরিচয় একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দেখেন তিনি।
সম্প্রতি গালাট্টা প্লাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের বাধা এবং কাজ পাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন সোনি।
মহেশ ভাটের স্ত্রী ও আলিয়া ভাটের মা হওয়ার বাইরে তিনি নিজেকে কিভাবে দেখেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সোনি বলেন, তিনি আগে একজন সংগ্রামী অভিনেত্রী ছিলেন, বিয়ের পরও সেই পরিচয় বদলায়নি। আলিয়ার মা হওয়ার পরও নিজেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দেখেন তিনি।
অভিনয়কে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন বলেও জানান।
নিজের ক্যারিয়ারের পথ খুব একটা সহজ ছিল না বলেও জানান সোনি। তার ধারণা, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার চেহারার ধরনও কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছিল।
সোনি বলেন, তার চেহারা হয়তো সে সময়কার প্রচলিত ভারতীয় সৌন্দর্যের ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই ছিল না।
তবে অভিনয়ের প্রতিভার ঘাটতি ছিল বলে তিনি মনে করেন না। তার মতে, আজ তিনি যদি ২৫ বছর বয়সী হতেন, তাহলে চেহারার এই বিষয়টি হয়তো এতটা বাধা হয়ে দাঁড়াত না।
অভিনয়ে আসার আগে থিয়েটারের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিলেন সোনি। প্রথমদিকে তার ইচ্ছা ছিল মঞ্চেই অভিনয় করে ক্যারিয়ার গড়ার। কিন্তু থিয়েটার থেকে আয় করা কঠিন হওয়ায় পরে চলচ্চিত্রে আসতে হয় তাকে।
সোনির ভাষায়, তিনি সবসময় ভেবেছিলেন থিয়েটার অভিনেত্রী হিসেবেই থাকবেন। পরে বুঝতে পারেন, থিয়েটার থেকে আয় করা সহজ নয়। তখনই তাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে চলচ্চিত্রে আসার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তবে শুধু পর্দায় আকর্ষণীয় উপস্থিতির জন্য পরিচিত হতে চাননি সোনি। অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে চেয়েছেন তিনি। ‘গ্ল্যাম ডল’ হিসেবে নয়, একজন অভিনেত্রী হিসেবেই দর্শকের কাছে পরিচিত হতে চেয়েছেন সোনি।
সম্প্রতি ‘শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান’ সিরিজে দেখা গেছে তাকে। সিরিজটি নেটফ্লিক্সে প্রচারিত হচ্ছে।
কমেন্ট