লিবিয়া থেকে ফিরছেন ১৭০ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে ফিরছেন ১৭০ বাংলাদেশি

লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর যৌথ সহযোগিতায় বুধবার (২৪ জুন) ভোরে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


জানা গেছে, বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে (ফ্লাইট নং UZ222) রওনা হয়ে বুধবার সকাল ৫টায় তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।

প্রত্যাবাসনকৃতদের একটি বড় অংশই লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে (আটক কেন্দ্র) বন্দি ছিলেন। এর মধ্যে ৮৬ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৩৫ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। এছাড়া বাকি ৪৯ জন বাংলাদেশি ত্রিপলীর বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল অবস্থায় ছিলেন, যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার আবেদন জানান।


ফেরত আসা অভিবাসীদের মধ্যে ৫ জন শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ বলে জানা গেছে।
দেশে ফেরার আগে ত্রিপলীতে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রত্যাবাসনপ্রার্থীরা। এ সময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) এবং প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসনের ভয়াবহ ঝুঁকি ও নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করেন।


তিনি ফিরে যাওয়া নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা দেশে ফিরে অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখুন। একই সঙ্গে যারা আপনাদের এই বিপদে ফেলেছে, সেই মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।’
দূতাবাস জানিয়েছে, লিবিয়ায় আটকে থাকা এবং ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে কাজ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ত্রিপলীর বাংলাদেশ দূতাবাস।

 

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনার দাবি প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

কমেন্ট