উপকূলীয় এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উপকূলীয় এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, গৃহহারা মানুষের জন্য আবাসন সহায়তার পাশাপাশি কৃষক, মৎস্যচাষি ও গবাদিপশু খামারিদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা চত্বরে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় গৃহহারা পরিবারের মধ্যে গৃহনির্মাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা হলো- ‘সবার আগে বাংলাদেশ, ক্ষমতার আগে জনতা’। সেই নীতিকে সামনে রেখেই সরকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপক‚লীয় অঞ্চলে বারবার বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি কমাতে শক্তিশালী স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা স্লুইসগেটগুলো সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান এবং আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বক্তব্য দেন। প্রথম পর্যায়ে পেকুয়ায় বন্যায় গৃহহারা ২০টি পরিবারের হাতে টিন, খাট, লেপ-তোশকসহ প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে আরও ৮০টি পরিবারকে একই ধরনের সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। 

এদিকে দিনব্যাপী পেকুয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি মেহেরনামা, শিলখালী, বারবাকিয়া বাজার, টইটং ও রাজাখালী এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন। পরে উজানটিয়ার সোনালী বাজার স্লুইসগেট এবং মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিএমচর, পূর্ব বড় ভেওলা ও সাহারবিল ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিয়ে তাদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এসব এলাকায় দেরিতে যাওয়ার জন্য তিনি স্থানীয় ভাষায় ক্ষমাও চান।

গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১৪০০ বৈদ্যুতিক বাস আনছে সরকার পরবর্তী

গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১৪০০ বৈদ্যুতিক বাস আনছে সরকার

কমেন্ট