টেকসই জাতীয় উন্নয়নে সামুদ্রিক নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের গুরুত্বারোপ: প্রধানমন্ত্রী
পাচার সম্পদ শনাক্ত ও ফ্রিজ করতে আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে : গভর্নর
দেশ থেকে পাচার হওয়া সম্পদ শনাক্ত ও ফ্রিজ করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চুক্তি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, খেলাপি ঋণ ও অর্থপাচার রোধে ছয় মাসের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তির সুযোগ রেখে ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট’ ও ‘মানি লোন কোর্ট অ্যাক্ট’ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ১১টি বিশেষ যৌথ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘বেসরকারি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন’ বিষয়ক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।
দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুরতা পুনরুদ্ধারের বিষয়ে গভর্নর বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়া অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই ঝুঁকিপূর্ণ ও নেতিবাচক অবস্থায় ছিল। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে একাধিক বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের ঘটনা মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
কম সুদে তহবিল বিতরণের বিষয়ে মোস্তাকুর রহমান জানান, ব্যাংকগুলোর নিষ্ক্রিয় আমানত ব্যবহার করে ৪ শতাংশ সুদে তহবিল দেওয়া হচ্ছে। এসব তহবিল এসএমই ও কৃষি খাতে ৭ থেকে ৮ শতাংশ সুদে বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে নতুন তহবিল চালুর প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্যোক্তাদের ৫০ শতাংশ অনুদান এবং ৪ থেকে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বেসরকারি খাতের সফল উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মো. আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা, বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ময়মনসিংহের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমেন্ট