
অন্যদের নিকট বিরক্তিকর ব্যক্তি হলেও অনেকে সে বিষয়ে কোনো ধারণা পান না। কিন্তু এ লেখায় তুলে ধরা হলো কিছু বিরক্তিকর কাজ। আপনি যদি এ ধরনের কাজ বেশিমাত্রায় করেন তাহলে অন্যের বিরক্তির কারণ হবেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছৈ বিজনেস ইনসাইডার।
১. ঘন ঘন হালকা জবাব
আপনি কারো সঙ্গে কথা বলার সময় কিংবা কোনো বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় আপনি যদি অপর পক্ষের কাছ থেকে শুনতে পান ঘন ঘন হালকা জবাব তাহলে বুঝবেন কোথাও সমস্যা হয়েছে। হয়ত তিনি আপনার ওপর বিরক্ত হলেও কথাবার্তা দ্রুত শেষ করার জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন।
২. সাধারণ প্রশ্ন
আপনি যদি অন্যকে বিরক্ত করেন তাহলে অন্যরা আপনার কথাবার্তা বিষয়ে অতি সাধারণ প্রশ্ন করবে, যা আপনাকে কিছুটা হলেও অবাক করতে পারে। অন্যদিকে আপনার কথাবার্তা যদি তাকে আকর্ষণ করে তাহলে তিনি জটিল প্র্রশ্ন করবেন।
৩. ব্যাঘাত
আপনার কথাবার্তার সময় অন্য কেউ যদি ব্যাঘাত ঘটায় তাহলেও তার মানে এটি নয় যে, সে বিরক্ত হচ্ছে। তবে সে যদি বিষয়বস্তুর বাইরে নিয়ে যেতে চায় তাহলে বুঝতে হবে সে বিরক্ত। অন্যদিকে ব্যাঘাত ঘটালেও সে যদি বিষয়ের বিস্তারিত জানতে চায় তাহলে বুঝতে হবে সব ঠিকই আছে।
৪. পরিষ্কার করে নেওয়া
কথাবার্তার সময় আপনার কাছ থেকে কোনো বিষয় যদি পরিষ্কার করে নিতে চায় তাহলে বুঝতে হবে সব ঠিকই আছে। তার চেয়ে বরং একেবারে নিরব হয়ে থাকলেই বুঝতে হবে অপর পক্ষের অংশগ্রহণ নেই। হয়ত তিনি বিরক্ত।
৫. কথায় ভারসাম্যহীনতা
আপনি যার সঙ্গে কথা বলছেন তিনি কি সঠিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণভাবে আপনার কথার জবাব দিচ্ছেন? এ বিষয়ে কোনো ঘাটতি থাকলে বুঝবেন তিনি বিষয়বস্তুর ভেতর প্রবেশ করেননি।
৬. দেহের অবস্থান
আপনার কথা অপর পক্ষ মনোযোগ দিয়ে শুনছে নাকি বিরক্ত হচ্ছে, এ বিষয়টি তার দেহের অবস্থান দেখে জানা যাবে। তিনি কি কাছাকাছি এসে আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন? যদি তিনি দূরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে বুঝতে হবে পরিস্থিতি মোটেও আপনার অনুকূলে নেই।
৭. দেহভঙ্গি
অন্যরা আপনার সঙ্গে কথা বলতে সঠিক দেহভঙ্গি প্রদর্শন করছেন কি? এ বিষয়ে যদি কোনো অসঙ্গতি দেখা যায় তাহলে বুঝে নিন তিনি আপনার বিষয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছেন বা বিরক্ত হয়েছেন।
কমেন্ট